Posts

Showing posts from January, 2025

গ্রিনহাউস প্রতিক্রিয়ার প্রভাব আলোচনা

Image
গ্রিনহাউস প্রতিক্রিয়ার প্রভাব আলোচনা ভূমিকা:- প্রকৃতির এই নিয়ম পরিবর্তনের পিছনে রয়েছে গ্রিনহাউস গ্যাসসমূহের অবদান যা আমাদের সৃষ্টি। সৃষ্টি তখন সুন্দর হয় যখন তা মানুষের কল্যাণে লাগে। গ্রিনহাউস গ্যাস সৃষ্টি করেছে মানুষ তার কল্যাণে। কিন্তু তা অকল্যাণ ও বয়ে এনেছে। গ্রিনহাউস প্রতিক্রিয়ার ফলে সমস্যাসমূহ: গ্রিনহাউস প্রতিক্রিয়ার ফলে যে সব সমস্যার সৃষ্টি হয় তা নিম্নে আলোচনা করা হলো। ১। সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি: পৃথিবীর মোট ৭৫% ভাগই জলরাশি। আর এই বিশাল জলরাশির ৯৭ ভাগই সমুদ্র ধারণ করে এবং ২০ শতকে সমুদ্র পৃষ্ঠের গড় উচ্চতা বৃদ্ধির পরিমাণ ছিলো ১-২ সে.মি. প্রতি বছর তা ছিল ১-৩ মি.মি. যদি ক্রমাগত হার গ্রিনহাউস গ্যাস বায়ুমণ্ডলে যোগ হতে থাকে তবে এর উচ্চতা ২১০০ সাল নাগাদ ১-৩ মিটার পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে বিজ্ঞানীরা আশাঙ্কা করেছেন। ২। উপকূলীয় সমুদ্রতট ও দ্বীপ সমুহে প্লাবন: সমুদ্র উপকূলবর্তী প্রায় ৭৫ মিলিয়ন বর্গ কি.মি এলাকার বসবাসভূমি পানিতে তলিয়ে যাবে। এত বড় সমুদ্র উপকূলে যারা বসবাস করবে তাদের জীবন যাত্রার মান ব্যহত হবে। সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হবে মহাসাগরের দ্বীপসমূহের অধিবাসীরা। ৩। উপকূলীয় এলাকার মাটি...

পরিবেশ কী? what is environment? পরিবেশের উপাদানসমূহ লিখ

Image
পরিবেশ কী? পরিবেশের উপাদানসমূহ লিখ ভূমিকা:- সমাজবিজ্ঞান হচ্ছে সামাজিক সম্পর্কের বিজ্ঞান। সমাজবিজ্ঞানের আলোচ্য বিষয় ও পরিধি ব্যাপক এ বিস্তৃত। পরিবেশ হচ্ছে এর মধ্যে অন্যতম একটি। পরিবেশ নিয়ে সমাজবিজ্ঞানের আলাদা একটি শাখা শুরু হয়েছে পরিবেশ সমাজবিজ্ঞান নামে। এটি পরিবেশকে বিস্তারিতভাবে বিশ্লেষণ করে। পরিবেশের সংজ্ঞা পরিবেশের ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো 'Environment' এ শব্দটি এসেছে ফরাসি শব্দ Viron থেকে যার অর্থ একটি বৃত্ত বা দেশ। শব্দগত অর্থে পরিবেশ সমগ্র পৃথিবীকে এর অন্তভূক্ত করে। সাধারণত পরিবেশ বলতে আমরা যেখানে বসবাস করি তার পারিপাশ্বিক অবস্থার যোগফলকে বুঝায়। এটি ক্ষুদ্রতম থেকে ক্ষুদ্র কোষ থেকে শুরু করে সমগ্র মানবসমাজ ও জীবজগৎকে এর অন্তভূর্ক্ত করে। তাই এর সংজ্ঞা দেয়া কঠিন। পরিবেশ ধারণাটি বেশ ব্যাপক ও জটিল। পরিবেশ তার আলোচনায় সকল জীব ও জড় জগৎকে একত্রিত করে। পরিবেশের প্রামাণ্য সংজ্ঞা বিভিন্ন মনীষীগণ পরিবেশকে নানাভাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন। নিম্নে পরিবেশের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সংজ্ঞা তুলে ধরা হলো। Cambridge Dictionaries অনুসারে Environment is the air, water and land in or on which people animals and...

কেস স্টাডি কী? কেস স্টাডির সুবিধা অসুবিধা আলোচনা

Image
কেস স্টাডি কী? সুবিধা অসুবিধা আলোচনা কর ভূমিকা:- সামাজিক সমস্যা অধ্যয়নে ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি হলো কেস স্টাডি বা ঘটনা অনুধাবন পদ্ধতি। সামাজিক সমস্যার উন্মেষ ও বিকাশধারা জানার জন্য সামাজিক বিজ্ঞান, চিকিৎসা বিজ্ঞান ও আচরণ বিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কেস স্টাডির ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। বস্তুত বর্তমান কালে কেস স্টাডি একটি সামাজিক মাইক্রো বিশ্লেষণ বা ব্যষ্টিক বিশ্লেষণ হিসেবে পরিচিত। কেস স্টাডি বা ঘটনা অনুধাবন: কেস স্টাডি মূলত কোনো এককের সুষ্ঠু ও সুগভীর বিশ্লেষণ পদ্ধতি। The Social work dictionary তে কেস স্টাডি সম্পর্কে বলা হয়েছে সাধারণত দীর্ঘ সময়ব্যাপী কোনো একজন ব্যক্তি, দল ও পরিবার অথবা সমষ্টির বহুবিদ বৈশিষ্ট্য নিয়মতান্ত্রিকভাবে পরীক্ষণের মাধ্যমে মূল্যায়ন করার একটি পদ্ধতি হলো কেস স্টাডি। রুথ স্ট্রং বলেন কেস স্টাডি হলো গুণগত মান বিশ্লেষণের একটি পদ্ধতি যেখানে কোনো ব্যক্তি অথবা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে অত্যন্ত সতর্ক ও পূর্ণাঙ্গ পর্যবেক্ষণ করা হয় এবং অনুধাবনকৃত তথ্য হতে কোনো বিষয়ে সাধারণীকরণ ও অনুমিত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সর্বশেষ বলা যায় যে কেস স্টাডি এমন একটি পদ্ধতি যা সাম...

সমাজতাত্ত্বিক সামান্যীকরণ কী? জ্ঞানালোকের যুগ কী

Image
সমাজতাত্ত্বিক সামান্যীকরণ কী? জ্ঞানালোকের যুগ কী ভূমিকা:- সামগ্রিক সমাজব্যবস্থায় জ্ঞানের প্রতিটি শাখায় প্রয়োগ যোগ্যতা ও গ্রহণযোগ্যতা কতটুকু সেটা নির্ধারণ করার উপায় হচ্ছে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের তাত্ত্বিক সর্বজনীনতা। এ প্রেক্ষিতে একটি বিষয়কে বিজ্ঞান পদবাচ্য হতে হলে বিষয়টির তাত্ত্বিক সাধারণীকরণ ও সর্বজনীনতা অবশ্যই থাকতে হবে। সাধারণীকরণ বা সামান্যীকরণ: সাধারণীকরণ হচ্ছে বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানের প্রধান নির্ধারক।অতএব, সাধারণভাবে বলা যায় যে, সাধারণীকরণ হলো এমন এক ধরনের প্রক্রিয়া যাকে অনুসন্ধান কাজের ফলাফলের জন্য প্রযোজ্য বলে গণ্য করে। বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানের কোনো প্রপঞ্চ সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও নবতর জ্ঞান লাভের বা জ্ঞান আহরণের একমাত্র উপায় হচ্ছে সামান্যীকরণ প্রক্রিয়া। কেননা সাধারণীকরণ নিজেই ঘটনা এবং জ্ঞানের বাহক হিসেবে কাজ করে। কোন একটি তত্ত্ব সম্পর্কে যে সাধারণীকরণ নিজেই দাঁড় করানো হয় সেটি ভবিষ্যৎ অনুসন্ধান কাজের নির্দেশক হিসেবে কাজ করে। বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে সাধারণভাবে যে সাধারণীকরণ করা হয় সেটি মূলত নিশ্চিত কিংবা স্থায়ী নয় বরং এটা প্রকৃতগতভাবে অস্থায়ী। এটাকে বলা হয় Variable generalization বা Approximate or pr...

নগর সংস্কৃতি কি? নগর সংস্কৃতির বৈশিষ্ট্যসমূহ লিখ

Image
নগর সংস্কৃতি বলতে কি বুঝ? নগর সংস্কৃতির বৈশিষ্ট্য লিখ ভূমিকা:- সংস্কৃতি হচ্ছে মানুষের সামাজিক পরিচিতি। সংস্কৃতি বলতে সংস্কারের মাধ্যমে প্রাপ্ত গুণকে বোঝায়। এযকোন সমাজ প্রচলিত সামাজিক আচরণ ও কার্যাবলির মার্জিত রুপই হলো সংস্কৃতি। সংস্কৃতি হলো সামাজিক জীবনবোধ থেকে উদ্ভূত একটি সামাজিক প্রপঞ্চ। মানুষ একত্রে বসবাসের ফলেই সংস্কৃতির বিকাশ ঘটে। আবার সংস্কৃতি হারিয়ে যায় যখন কোন জাতির বিনাশ হয়। নগর সংস্কৃতির সংজ্ঞা নগর সংস্কৃতির ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো ‘Urban Culture’। নগর হলো কোনো একটি স্থান যেখানে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ জনসমষ্টি থাকে যারা সাধারণত বিভিন্ন অকৃষিজ পেশায় নিয়োজিত থাকে। অন্যদিকে, নগর সংস্কৃতি হলো নগরের শিল্প, সাহিত্য, রীতিনীতি, আচার-অনুষ্ঠান ইত্যাদি বিষয়গুলো যা মানুষ নগর সমাজ থেকে অর্জন করে নাগরে বসবাস করার মধ্য দিয়ে। নগর সংস্কৃতির প্রামাণ্য সংজ্ঞা: নগর সংস্কৃতি সম্পর্কে বিভিন্ন মনীষী বিভিন্ন সংজ্ঞা প্রদান করেছেন তার মধ্যে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সংজ্ঞা তুলে ধরা হলো- A.L Kroeber এর মতে ''প্রতিক্রিয়া, অভ্যাস, কৌশল ও মূল্য প্রভৃতি দ্বারা সৃষ্ট ব্যবহার নগর সংস্কৃতি গঠন করে নগর সংস্কৃতি ম...

উৎপাদন হতে শ্রমিকের বিচ্ছিন্নতা কার্ল মার্ক্সের মতবাদ

Image
শ্রমিকের বিচ্ছিন্নতা: কার্ল মার্কসের তত্ত্ব ও এর প্রভাব ভূমিকা: শ্রমিকের বিচ্ছিন্নতা বা Alienation একটি গুরুত্বপূর্ণ তত্ত্ব যা কার্ল মার্কস তার The Economic and Philosophical Manuscripts of 1844 গ্রন্থে ব্যাখ্যা করেছেন। মার্কসের মতে, পুঁজিবাদী সমাজে শ্রমিকরা তাদের উৎপাদিত বস্তু এবং কাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, যা তাদের মানবিক বিকাশ এবং পূর্ণতা অর্জনে বাধা সৃষ্টি করে। ১. উৎপাদিত বস্তু থেকে বিচ্ছিন্নতা: মার্কসের তত্ত্বের প্রথম অংশ হলো উৎপাদিত বস্তু থেকে শ্রমিকের বিচ্ছিন্নতা। শ্রমিকরা মজুরি বিনিময়ে কাজ করে, কিন্তু তারা যা উৎপাদন করে তা তাদের নিজের হয় না। পুঁজিপতিরা এই উৎপাদন থেকে লাভ অর্জন করে এবং শ্রমিকের শ্রমের পুরস্কার শুধুমাত্র একটি নগণ্য মজুরি। ফলে, শ্রমিকরা তাদের উৎপাদিত বস্তু থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং তা তাদের জন্য একটি অপরিচিত বস্তু হয়ে ওঠে। যেহেতু তারা এই বস্তুটির সাথে কোনো সম্পর্ক অনুভব করে না, এটি তাদের কাছে বাইরের এবং অচেনা হয়ে দাঁড়ায়। ২. উৎপাদন কার্য থেকে বিচ্ছিন্নতা: শ্রমিক যখন তার উৎপাদিত বস্তু থেকে বিচ্ছিন্ন হয়, তখন সে উৎপাদন কার্য থেকেও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। মার্কস বলেছিলেন ...

নারী নির্যাতন কি? নারী নির্যাতনের ধরন আলোচনা কর

Image
নারী নির্যাতন কি? নারী নির্যাতনের ধরন আলোচনা ভূমিকা:- সুদূর ল্যাটিন আমেরিকা কিংবা আফ্রিকা ইউরোপ কিংবা এশিয়া বিশ্বের সর্বত্র নারী নির্যাতন এক বিরাট সমস্যা হয়ে দেখা দিয়েছে। নারী নির্যাতনের ঘটনাবলি যে মানবাধিকার লঙ্ঘনের সমতুল্য অপরাধ সে কথা আজ সর্বজনবিদিত। 'Women Rights and Human Rights' এ কথাটি আজও বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। অথচ লিঙ্গভিত্তিক নির্যাতনের মধ্যে দিয়ে নারীর মানবাধিকার হরণের ঘটনাবলি দিন দিন বেড়েই চলেছে।বিশ্বে নারী নির্যাতনের সাথে সাথে বাংলাদেশেও নারী নির্যাতন বাড়ছে। বর্তমান বাংলাদেশে এই নারী নির্যাতন হার ৪৭%। দেশজুড়ে নারী নির্যাতনের এ ভয়াবহ পরিস্থিতিতে কোনো বিবেকবান মানুষই চিন্তিত না হয়ে পারে না। নারী নির্যাতন প্রতিরোধে দেশে আইন আছে নতুন আইন তৈরি হচ্ছে, তা সত্ত্বেও যেন এই নির্যাতনের হার থেমে নেই। নারী নির্যাতনের সংজ্ঞা ১৯৯৫ সালে জাতিসংঘ প্রকাশিত বিশেষ প্রতিবেদনে লিঙ্গভিত্তিক সহিংস নির্যাতনকে নিম্নরূপে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। ''Gender violence is a violence against women that results in physical, mental, sexual coercion or arbitrary deprivation and violation of human rig...

সামাজিক কাঠামোর প্রত্যয়সমূহ কী কী লেখ

Image
সামাজিক কাঠামোর প্রত্যয়গুলি কী কী? ভূমিকা:- মানুষ একটি সামাজিক জীব। সমাজ গঠিত হয়েছে মানুষের নিজের প্রয়োজনে। আর মানুষ এ সমাজকে নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করে চলেছে। আর সমাজের কাঠামোর প্রয়োজন মেটানোর জন্য মানুষের মাঝে সর্বদা এক প্রত্যয় বা ধারণা প্রকাশ পায় যা সমাজের পরিবর্তনের জন্য বেশ সহায়ক হিসেবে ভূমিকা পালন করে এবং সামাজিক কাঠামোগত পরিবর্তন বা প্রতিষ্ঠত করার জন্য সর্বদা মানুষের মাঝে এক জটিল সমস্যা বিরাজ করে। সামাজিক কাঠামোর প্রত্যয়সমূহ: যেকোন ধরনের কাঠামো নির্ভর করে নিজ নিজ গুরুত্ব প্রকাশ করার জন্য। ঠিক তেমনি সামাজিক কাঠামোর বেশ কিছু প্রত্যয় রয়েছে। নিম্নে সমাজ কাঠামোর প্রত্যয়সমূহ তুলে ধরা হলো। ১। মৌল ধারণা বা প্রত্যয়, ২। কেন্দ্রীয় প্রত্যয় ও ৩। নির্দেশ জ্ঞাপক প্রত্যয় ১। মৌল ধারণা বা মৌল প্রত্যয়: সামাজিক কাঠামো হলো সেই কাঠামো যেখানে মৌল প্রত্যয় বিদ্যমান থাকে। কারণ, মৌল প্রত্যয় ব্যতিত কোন কাঠামো টিকে থাকে না। মৌল প্রত্যয় আবার দুই প্রকার যথা- (ক) মৌল কাঠামো ও (খ) উপরি কাঠামো। মৌল কাঠামো এবং উপরি কাঠামো সর্বদা মৌল প্রত্যয়কে ব্যাখ্যা করতে সাহায্য করে। ২। কেন্দ্রীয় প্রত্যয় কেন্দ্রীয় প...

নব্য মার্কসীয় দৃষ্টিভঙ্গি ব্যাখ্যা কর

Image
নব্য মার্কসীয় দৃষ্টিভঙ্গি ব্যাখ্যা কর ভূমিকা:- নব্য মার্কসীয় তত্ত্ব মার্কসবাদেরই বিশেষ সম্প্রসারণ। মার্কসবাদী তাত্ত্বিকদের বিপরীতে একডেমিক পরিমন্ডলে নব্য মার্কসবাদী ধারার উম্মেষ ঘটে। নব্য মার্কবাদীরা দেখান যে অনুন্নত দেশগুলোর অবনতি ঘটিয়ে উন্নত দেশগুলোর শিল্পায়নের পথ প্রশস্ত করে। নব্য মার্কসবাদীরা দেখানোর চেষ্টা করেন যে এক অংশের মূল্যে বিশ্বের অন্য অংশের উন্নতি হচ্ছে। এতে উদ্বৃত্ত নিরবিচ্ছিন্নভাবে অন্য অংশমুখী ধাবিত হয়। নব্য মার্কসবাদীগণ দেখান যে, যেখানে দারিদ্র্য ছিল সেখানে সংঘটিত হয়েছে উন্নতি, আর যেখানে ছিল ঐশ্বর্য সেখানে ঘটেছে অবনতি। এই ঐতিহাসিক আবিষ্কার থেকে এটাও প্রতিভাত হয় যে, সুদূরপ্রসারী পরিবর্তনসমূহ সাধারণত শান্তিপূর্ণভাবে সম্পাদিত হয়। সমসাময়িক অনুন্নত দেশগুলোর উন্নয়নের জন্য ও বৈপবিক পন্থা ব্যতিরেকে কোন শান্তিপূর্ণ বিকল্প নেই। ১। নব্য মার্কসবাদীদের ধারণা অনুযায়ী, দারিদ্র্য নয় বরং পশ্চাত্যের মূলধন স্থানান্তর অনুন্নত দেশের উন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রধান বাধা। এছাড়া অনুন্নত দেশের শিল্পের উপর পরোক্ষ নিয়ন্ত্রণ এবং প্রযুক্তির জন্যে নির্ভরশীলতা অনুন্নত দেশকে আরো বেশি নির্ভরশীল করে তুলেছে।এভ...

নগর বিকাশে ম্যাক্স ওয়েবারের তত্ত্ব আলোচনা কর

Image
নগর বিকাশে ম্যাক্স ওয়েবার তত্ত্ব আলোচনা ভূমিকা:- মানব সভ্যতার বিকাশের ক্ষেত্রে শহর একটি শক্তিশালী বিপ্লব যা আমাদের জীবন যাত্রার একটি বিরাট পরিবর্তন এনেছে। ম্যাক্স ওয়েবারের (MAX WEBER) এর মতে প্রতিটি শহরের কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে। পৃথিবীর প্রতিটি নগরের ক্ষেত্রেই ম্যাক্স ওয়েবার কিছু তত্ত্ব প্রদান করেন। নগর বিকাশে ম্যাক্স ওয়েবারের তত্ত্ব: একটি বিশ্লেষণ নিম্নে ম্যাক্স ওয়েবারের প্রদত্ত নগর বিকাশের স্বরুপ সমূহ আলোচনা করা হলো। ১। শহরের অর্থনৈতিক প্রকৃতি: যে স্থানের লোকজন কৃষির থেকে ব্যবসায় বাণিজ্যকে বেশি গুরুত্ব দেয়। অর্থনৈতিকভাবে একটি শহর সৃষ্টি হলে এর তিনটি বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয়। এগুলো হলো- (ক) ব্যবসায় বাণিজ্য স্থাপন। (খ) উৎপাদনকারী ও ভোক্তার শহর। (গ) কৃষিকাজে শহরের সম্পর্ক। ২। শহরের রাজনৈতিক প্রশাসন ধারণা: অর্থনীতির পাশাপাশি প্রাশাসনিক কারনেও একটি শহর গড়ে উঠতে পারে। প্রতিটি শহরের একটি Economic Association থাকে। এরা বাজেট তৈরি করে আয় ব্যায়ের হিসাব করে। কিন্তু Peasant বা কৃষক সমাজে এটা আমরা Economic Association কে Central করার জন্য Palitical Administrative তৈরি হয়। যেমন Municipa Lity প্র...

ম্যাক্স ওয়েবার (Max Weber) কে আমলাতন্ত্রের জনক বলা হয় কেন?

Image
ম্যাক্স ওয়েবারকে আমলাতন্ত্রের জনক বলা হয় কেন? ভূমিকা:- আমলাতন্ত্র একটি সরকারি ব্যবস্থা যেখানে রাষ্ট্রের বেশিরভাগ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নির্বাচিত প্রতিনিধিদের পরিবর্তে রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তাদের দ্বারা নেওয়া হয়। জার্মান সমাজবিজ্ঞানী ম্যাক্স ওয়েবার তার ‘Economy and Society’ গ্রন্থে বলেন যে- একটি আমলাতন্ত্র সংস্থা সবচেয়ে দক্ষ কাঠামো প্রতিনিধিত্ব করে। বিশেষ দক্ষতা, নিশ্চয়তা, ধারাবাহিকতা এবং উদ্দেশ্যের একতাই এর মূল বৈশিষ্ট্য। সুপ্রসিদ্ধ চিন্তাবিদ ম্যাক্স ওয়েবার আমলাতন্ত্র কে যুক্তিবাদী সংগঠন হিসেবেও আখ্যায়িত করেছেন। তিনি সর্বপ্রথম আমলাতন্ত্র যে আধুনিক আমলাতন্ত্রের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত সে বিষয় ব্যাখ্যা করেন। ম্যাক্স ওয়েবার (Max Weber) এর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘Eassys in Socilogy’ তে আমলাতন্ত্রের বৈশিষ্ট্য ও বিশদ আলোচনা করেছেন । ম্যাক্স ওয়েবার (Max Weber) এ প্রসঙ্গে সমাজতাত্ত্বিক গবেষণার সূত্রপাত করেন। তাই ম্যাক্স ওয়েবারকে আমলাতন্ত্রের আধুনিক জনক বলা হয়। Max Weber আমলাতন্ত্রকে আইনগত ও যুক্তিসংগত আদর্শ কাঠামো হিসেবে বিশ্লেষণ করেন। তাঁর মতে এটি একটি আদর্শ কাঠামো। তাঁর আমলাতন্ত্রকে “concept of Rationali...

Chicago এবং Lowa কেন্দ্রিক চিন্তাধারার মধ্যে সাদৃশ্য বা সম্পর্ক আলোচনা কর

Image
Chicago এবং Lowa কেন্দ্রিক চিন্তাধারার মধ্যে সাদৃশ্য বা সম্পর্ক আলোচনা ভূমিকা:- মনোবিজ্ঞানে ব্যবহৃত দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যয় হলো শিকাগো এবং লোওয়া। Chicago এবং Lowa কেন্দ্রিক চিন্তাধারার মধ্যে কিছু বৈসাদৃশ্য লক্ষ্য করা গেলেও এদের মধ্যে অনেক সাদৃশ্য রয়েছে। উভয়ই মানুষের আচরণ, প্রতীক, মিথস্ক্রিয়া এবং সামাজিক প্রতিষ্ঠানের প্রক্রিয়াকে ব্যাখ্যা করতে প্রতীকী মিথস্ক্রিয়ার ওপর গুরুত্ব দেয়। Chicago এবং Lowa কেন্দ্রিক চিন্তাধারার সাদৃশ্যসমূহ নিম্নে Chicago এবং Lowa কেন্দ্রিক চিন্তাধারার মধ্য বিদ্যমান সাদৃশ্য বা সম্পর্কগুলি আলোচনা করা হলো। ১। মানবজাতির প্রকৃতি: মানবজাতি তাদের পরিবেশের পারিপার্শ্বিক দিকগুলো চিহ্নিত করার জন্য প্রতীকের ব্যবহার করে থাকে। মানুষ যাকে অদ্বিতীয় মনে করে এবং যার ফলে সে অদ্বিতীয় হয় সেটা তার প্রতীকী ক্ষমতা। মানবজাতি আত্মপ্রতিফলন এবং মূল্যায়নেও সক্ষম। ২। মিথস্ক্রিয়ার প্রকৃতি: মিথস্ক্রিয়াভিত্তিক মনে মানুষের অঙ্গভঙ্গির ব্যাখ্যা এবং পরিচালনা ক্ষমতার উপর। মিথস্ক্রিয়ার মূলমন্ত্র হচ্ছে ভূমিকা পালন। কারণ, এটা অন্যের পরিপ্রেক্ষিতে দেখতে সাহায্য করে এবং এমন বিষয়ের মূল্যায়ন করে যার কোনো...

রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ কী? রাজনৈতিক সামাজিকীকরণের গুরুত্ব

Image
রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ কাকে বলে ও গুরুত্ব লিখো ভূমিকা:- রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ হচ্ছে প্রকৃত সামাজিকীকরণের একটি বিশেষ রুপ।রাজনৈতিক সামাজিকীকরণের মাধ্যমে মানুষ রাজনৈতিক বিষয়ের জ্ঞান অর্জন করতে পারে। রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ একটি রাজনৈতিক শিক্ষার প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে রাজনৈতিক বিশ্বাস অনুভূতি রীতিনীতি আদর্শ ইত্যাদি বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করা যায়। অর্থাৎ রাজনৈতিক শিক্ষা ও জ্ঞান অর্জনই হলো রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ। রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ হলো এমন এক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে শিশুর জন্ম হতে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পথে রাজনৈতিক মূল্যবোধ ও মনোবৃত্তি জাগরিত করা যায় এবং প্রাপ্ত বয়স্কদের বিভিন্ন রাজনৈতিক উপাত্তের উপযোগী করে গড়ে তোলা যায়। রাজনৈতিক সামাজিকীকরণের প্রামাণ্য সংজ্ঞা: বিভিন্ন সমাজতাত্ত্বিক ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানী রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ কে বিভিন্নভাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন তার মধ্যে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সংজ্ঞা নিম্নে দেওয়া হলো- ডেভিট ইষ্টন ও জেক ডেনিস এর মতে রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ হলো একটি বিশেষ পথ। এই পথে সমাজ তার রাজনৈতিক জ্ঞান, মনোভাব, রীতিনীতি ও মূল্যবোধকে এক প্রজন্ম হতে অন্য প্রজন্মে প্রভাবিত করে। সমাজবিজ্ঞ...

জাতিবর্ণ প্রথা কী? জাতিবর্ণ প্রথার প্রকারভেদ ও বৈশিষ্ট্য

Image
জাতিবর্ণ প্রথা কী? প্রকারভেদ ও বৈশিষ্ট্য আলোচনা ভূমিকা: সামাজিক স্তরবিন্যাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধরণ হলো জাতিবর্ণ প্রথা। প্রাচীন কাল থেকে ভারতীয় সমাজ ব্যবস্থাৃয় বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে এ প্রথার প্রচলন বেশি লক্ষ্য করা যায়। হিন্দুদের প্রাচীন শাস্ত্রবেদ বর্ণিত ৪টি বর্ণের কথা বলা হয়েছে। যাদের বিভিন্ন শ্রেণি, বিভিন্ন পেশা, রীতিনীতি, আচার-আচরণ, সুযোগ-সুবিধা মূল্যবোধ ইত্যাদির ভিন্নতা বিদ্যমান। আর এসব পার্থক্য তাদের বংশধারা এবং ধর্মীয় বিশ্বাস দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। আর এসবের স্থানে যারা জড়িত তারাই জাতিবর্ণ প্রথার অন্তর্ভূক্ত। জাতিবর্ণ প্রথা যে শুধু ভারতীয় সমাজ ব্যবস্থায় দেখা যায় তা নয় বরং প্রাচীন মিশর, জাপান, আধুনিক মিয়ানমার, আমেরিকা ও ইউরোপেও জাতিবর্ণ প্রথা ব্যবস্থা পরিলক্ষিত হয়। তবে জাতিবর্ণ প্রথা হিন্দু ধর্মে বেশি দেখা যায়। জাতিবর্ণ প্রথার সংজ্ঞা সাধারণত জাতিবর্ণ প্রত্যয়টি হিন্দু ধর্মের সাথে সম্পর্কিত। জাতি বর্ণের ইংরেজি প্রতিশব্দ Caste. যা এসেছে স্প্যানিশ শব্দ Casta থেকে। Casta শব্দটির অর্থ হলো কুলজাতি বা বংশধারা। ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় সমাজের অসমতা বোঝাতে পর্তুগিজরা জাতিবর্ণ শব্দটি ব্যবহা...

বাংলাদেশে বন্যা সংঘঠিত হওয়ার কারণ বিশ্লেষণ কর

Image
বাংলাদেশে বন্যা সংঘঠিত হওয়ার কারণ বিশ্লেষণ ভূমিকা:- প্রাকৃতিক দূর্যোগের মধ্য বন্যা অন্যতম। প্রতিবছরই বাংলাদেশে বন্যা সংঘঠিত হয়ে থাকে। তবে সব বছর মাত্রা সান থাকেনা কোন বছর বেশি কোন বছর কম। বন্যা পরিবেশের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। তবে বন্যা সংঘঠিত হওয়ার পিছনে মানুষই অনেকাংশে দায়ী।  বাংলাদেশে বন্যা সংঘঠিত হওয়ার কারণসমূহ: বাংলাদেশের অবস্থান বঙ্গোপসাগর এলাকায় হওয়ায় এবং বাংলাদেশের উপর দিয়ে বঙ্গোপসাগরে প্রবাহিত বিভিন্ন উপনদীর কারণে বাংলাদেশে প্রতি বছরই বর্ষাকালে ছোট থেকে মাঝারি ও বড় আকারের বন্যা হয়ে থাকে। বাংলাদেশের বন্যা কখনো অনাকাঙ্খিতভাবে আবর কখনও নদীর পানি বাড়ার কারণে সংঘঠিত হয়ে থাকে। নিম্নে বাংলাদেশে বন্যা সংঘঠিত হওয়ার কারণসমূহ আলোচনা করা হলো- ১। অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত: বর্তমানে বাংলাদেশে বন্যা সৃষ্টির অন্যতম কারণ অতিবৃষ্টি। কারণ, অতিবৃষ্টির ফলে বাংলাদেশের নিম্নভূমি নিমজ্জিত হয়ে বন্যার রুপ নেই। যা প্রাকৃতিক দূর্যোগ হিসেবেও পরিচিত। অতিবৃষ্টির বন্যা সাধারণত বর্ষাকালে সংঘোঠিত হয়। ২। বৈশ্বিক উষ্ণায়ন: বর্তমানে বৈশিক উষ্ণতার কারণে কখনো কখনো অতিবৃষ্টি হয় আবার সমুদ্রের পানির উষ্ণতার ফলে নদী...

নির্ভরশীলতা প্যারাডাইম এর উৎপত্তির কারণসমূহ লেখ

Image
নির্ভরশীলতা প্যারাডাইমের উৎপত্তির কারণসমূহ ভূমিকা:- সমাজবিজ্ঞানীদের আলোচনার  অন্যতম বিষয়বস্তু হলো সমাজ রাষ্ট্র দেশ ও জাতি। তাদের এসব ব্যাখ্যা করা চিরন্তর। সমাজবিজ্ঞানীরা যেমন একদিকে সমাজকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্রভাবে ভাগ করেছেন অন্যদিকে সেগুলোর পেক্ষাপটে দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক চিত্রও আলোচনা করেছেন। সমাজবিজ্ঞানীরা সমাজ ব্যবস্থার উন্নয়নে যে সকল তত্ত্ব দেন তা আধুনিকায়ন তত্ত্ব নামে পরিচিত। আধুনিকায়ন তত্ত্বের মাধ্যমে অনুন্নত দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন না করতে পারায় এ তত্তের সমালোচনা লেখা শুরু হয়। এ সমালোচনা লেখা থেকে আর একটি নতুন তাত্ত্বিক  মতবাদ সৃষ্টি হয় যা নির্ভরশীলতা প্যারাডাইম নামে পরিচিত। নির্ভরশীলতা প্যারাডাইম: ইংরেজি Dependency শব্দের বাংলা প্রতিশব্দ নির্ভরশীলতা। সাধারণত নির্ভরশীলতা বলতে কোন কিছুর জন্য অন্যের উপর নির্ভর করাকে বুঝায়। নির্ভরশীলতা শব্দটি আর্থসামাজিক উন্নয়নের পরিপ্রেক্ষিতে রচিত। এটি এমন এক ধরনের প্রক্রিয়া যার মধ্য দিয়ে তৃতীয় বিশ্ব এক ধরনের নির্ভরশীল সম্পর্কের মধ্য প্রবেশ করে। যার মধ্য দিয়ে নির্ভরশীল রাষ্ট্রগুলো অধস্তন অবস্থায় পতিত হয়। নির্ভরশীলতা প্যারাডাইম উৎপত্তির কার...

জর্জ হার্বার্ট মিড কে ছিলেন? জর্জ হার্বার্ট মিডের প্রতীকী মিথস্ক্রিয়া তত্ত্বটি পর্যালোচনা কর

Image
জর্জ হার্বার্ট মিড কে ছিলেন? জর্জ হার্বার্ট মিডের প্রতীকী মিথস্ক্রিয়া তত্ত্বটি পর্যালোচনা ভূমিকা:- আধুনিক সমাজতাত্ত্বিকদের মধ্যে সমাজবিজ্ঞানে যারা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন হার্বার্ট মিড তাদের মধ্যে অন্যতম।সমাজবিজ্ঞানে জর্জ হারবার্ট মিডের প্রতীকী মিথস্ক্রিয়াবাদ তত্ত্বটি গুরুত্ব বহন করে। যদিও প্রতীকী মিথস্ক্রিয়াবাদ একটি সামাজিক মনোবিজ্ঞানীর দৃষ্টভঙ্গি। মিথস্ক্রিয়া মূলতসামাজিক এবং সামাজিক সম্পর্কের অধ্যয়নের উপর জোর দেয়। নিম্নে এ সম্পর্কে আলোচনা করা হলো। জর্জ হার্বার্ট মিডের জীবনী: জর্জ হার্বার্ট মিড শিকাগো স্কুলের একজন বাস্তববাদী দার্শনিক। হারবার্ট মিড ১৮৬৩ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের দক্ষিণ হ্যাডলি নামক স্থানে জম্মগ্রহন করেন। হার্বার্ট মিডের পিতার নাম Herm Mead এবং মাতার নাম Elizabeth Storrs Billing. হার্বার্ট মিড ছিলেন তার মাতা-পিতার দ্বিতীয় সন্তান। ১৮৮০ সালে হারবার্ট মিডের পরিবার দক্ষিণ হ্যাডলি থেকে ওহিও অঙ্গরাজ্যের Oberlin এ চলে আসেন। হার্বার্ট মিডের বাবা ছিলেন Oberlin College এর অধ্যাপক। হার্বার্ট মিড ১৮৭৯ সালে ১৬ বছর বয়সে Oberlin College এ ভ...

সিস্টেম তত্ত্ব কী? সিস্টেম তত্ত্বের বৈশিষ্ট্যসমূহ লিখ

Image
সিস্টেম তত্ত্ব বা ব্যবস্থা তত্ত্ব সংজ্ঞা ও বৈশিষ্ট্যসমূহ ভূমিকা:- রাষ্ট্রবিজ্ঞানের বিভিন্ন আলোচনায় সিস্টেম তত্ত্ব নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সাম্প্রতিককালের সামাজিক বিশ্লেষণে সিস্টেম তত্ত্ব অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। প্রাকৃতিক বিজ্ঞানে এর উৎপত্তি হলেও কালক্রমে সিস্টেম তত্ত্ব শুধুমাত্র সামাজিক বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় তার আসন স্থায়ী করেছে তাই নয় বরং শিক্ষা কলা ও চারু শিল্পের মত শিল্পের ক্ষেত্রেও তার প্রভাব রয়েছে সুদূরপ্রসারী। ডেভিড স্টন হলেন ব্যবস্থা তত্ত্বের প্রধান প্রবক্তা। সিস্টেম তত্ত্ব বা ব্যবস্থা তত্ত্ব সংজ্ঞা সাধারণভাবে সিস্টেম তত্ত্ব বলতে বোঝায় পরস্পর সম্পর্কযুক্ত বিভিন্ন সহযোগী এককের এমন এক ধরনের পারস্পরিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়াকে যাতে ঐ এককগুলির যে কোন একটির পরিবর্তনে অন্য এককগুলোর পরিবর্তন সাধিত হয়। সিস্টেম তত্ত্বের মূল লক্ষ্য কোন ব্যবস্থার সামগ্রিক পর্যালোচনা। সিস্টেম তত্ত্ব প্রামাণ্য সংজ্ঞা: বিভিন্ন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী সিস্টেম তত্ত্বকে বিভিন্নভাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন নিম্নে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সংজ্ঞা প্রদান করা হলো। Morton Kaplan এর মতে ''সিস্টেম তত্ত্ব পারস্পরিক বন্ধনে ...