Posts

Showing posts from October, 2025

সম্ভাবনা নমুনায়ন কি? সম্ভাবনা নমুনায়নের প্রকারভেদ ও সম্ভাবনা এবং নিঃসম্ভাবনা নমুনায়নের পার্থক্য

Image
সম্ভাবনা নমুনায়ন কি?  সম্ভাবনা নমুনায়ন  প্রকারভেদ ও  সম্ভাবনা এবং নিঃসম্ভাবনা নমুনায়নের পার্থক্য ভূমিকা:- নমুনায়ন তত্ত্বে নমুনা চয়ন পদ্ধতি নির্ভর করে গবেষণার ধরন, সমগ্রকের প্রকৃতি, বাজেট, জনবল ইত্যাদির উপর। সমগ্রক থেকে প্রতিনিধিত্বশীল নমুনা চয়নের জন্য বিভিন্ন নমুনায়ন পদ্ধতির উদ্ভব হয়েছে। তন্মধ্যে সম্ভাবনা নমুনায়ন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি। সম্ভাবনা নমুনায়ন: সম্ভাবনা নমুনায়ন বলতে সে নমুনায়নকে বোঝানো হয় যেখানে সমগ্রকের অন্তর্ভূক্ত হওয়ার সমান সুযোগ ও সম্ভাবনা থাকে। সম্ভাবনা নমুনায়নের মূল কথা হলো দৈবচয়ন সম্ভাবনা নমুনায়নের মাধ্যমেই শুধুমাত্র প্রতিনিধিত্বমূলক নমুনায়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সম্ভব। কারণ এ পদ্ধতির মাধ্যমেই একজন গবেষক নমুনার মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যের নমুনাজমান (Statistic) এবং সমগ্রক হতে প্রাপ্ত তথ্যের পরমমানের (Parameter) মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করে নমুনায়নের ভুল ত্রুটি নির্ধারণ করতে পারেন। সম্ভাবনা নমুনায়নের জন্য কিছু প্রয়োজনীয় পূর্ব শর্তাবলি বিদ্যমান। যথা- (ক) নমুনা নির্বাচনের জন্য সমগ্রকের আকার নির্ধারণ করা। (খ) নমুনায়ন কাঠামো বা সমগ্রক তালিকা প্রস্তুতকরণ। (গ) সম...

কেন্দ্রীয় প্রবণতা কি? কেন্দ্রীয় প্রবণতার পরিমাপগুলোর পার্থক্য ও বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা কর

Image
কেন্দ্রীয় প্রবণতা কাকে বলে? কেন্দ্রীয় প্রবণতার পরিমাপগুলোর পার্থক্য ও বৈশিষ্ট্যসমূহ ভূমিকা:- কোনো গণসংখ্যা নিবেশনের প্রতি লক্ষ করলে দেখা যায় যে, কতগুলো রাশি বা মান বারবার সংঘটিত হচ্ছে। আবার কতগুলো রাশিকে অপেক্ষাকৃত কমবার সংঘটিত হতে দেখা যায়। কেন্দ্রীয় রাশিগুলো বেশি থাকে বা কেন্দ্রীয় শ্রেণিগুলোর গণসংখ্যা বেশি থাকে, অধিকবার সংঘটিত রাশিগুলো নিবেশনের কেন্দ্রীয় স্থানে (central Part) একটি ক্ষুদ্র পরিসরে পুঞ্জীভূত থাকে। কেন্দ্রীয় প্রবণতা সংজ্ঞা: কেন্দ্রীয় প্রবণতা বলতে কেন্দ্রের দিকে আগমনের প্রবণতাকে বুঝায়। রাশিমালার একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য হলো এগুলো কেন্দ্রীয় মানের কাছাকাছি অবস্থান করতে চায়। রাশিমালার কেন্দ্রীয় মানের কাছাকাছি আসার প্রবণতাকে কেন্দ্রীয় প্রবণতা বলে। প্রামাণ্য সংজ্ঞা: বিভিন্ন পরিসংখ্যানবিদ কেন্দ্রীয় প্রবণতার সংজ্ঞা বিভিন্নভাবে প্রদান করেছেন। নিম্নে কয়েকটি সংজ্ঞা উল্লেখ করা হলো। মাননান ও মেরির মতে, একটি গণসংখ্যা নিবেশনে যেসব তথ্য থাকে, সেগুলোকে লক্ষ করলে দেখা যায় যে, অধিকাংশ তথ্য বা সংখ্যাই একটি কেন্দ্রবিন্দুর দিকে ঝুঁকে পড়ে। ক্রাইডার-এর মতে, কেন্দ্রীয় প্রবণতা বলতে X অক্ষের উপর একদল...

বিস্তার পরিমাপ কাকে বলে? বিস্তারের আদর্শ পরিমাপ কোনটি এবং কেন?

Image
বিস্তার পরিমাপ কাকে বলে? বিস্তারের আদর্শ পরিমাপ কোনটি এবং কেন? ভূমিকা:- পরিসংখ্যানের গাণিতিক তথ্য প্রয়োগের ফেত্রে বিস্তার পরিমাপ একটি উল্লেখযোগ্য বিষয়। অভ্যন্তরীণ প্রখ্যার মানের দূরত্ব নির্ণয়ের ক্ষেত্রে এর প্রযোজা প্রয়োগ লক্ষ্য না যায়। গড় ও মধ্যমা ও প্রচুরকের সাহায্যে গণসংখ্যা বিরেশনের কেন্দ্রীয় মান পরিমাপ করা যায়। বিস্তার পরিমাপের আম্যে তথ্যসারির প্রতিটি সংখ্যামানের অবস্থান জানা যায়। আজিক পরিসংখ্যানে কেন্দ্রীয় প্রবণতায় পাশাপাশি বিস্তার গরমাণ ও ব্যাপক গুরুত্বপূর্ণ। বিস্তার পরিমাপ: সাধারণভাবে বলা যায় যে, দুই বা ততোধিক নিবেশনের তুলনা করতে কিংবা কোনো নিবেশনের মানগুলো থেকে অন্য সংখ্যাগুলোর ব্যবধান বা বিচ্যুতির গড় পরিমাণ নির্ণয়ের জন্য যে পরিসংখ্যানিক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়, তাকে বিস্তার পরিমাপ বলে। অন্যভাবে বলা যায়, তথ্যসারির মানগুলো গড় থেকে কতটুকু ভিন্ন হয়েছে সেসব পার্থক্যের গড় নির্ণয়কেই বিস্তারের পরিমাণ বলা হয়। এ কারণে বিস্তার পরিমাপকে গড়ের ‘দ্বিতীয় পর্যায়ের গড়’ও বলা হয়। গড় থেকে প্রতিটি সংখ্যার ব্যবধানের পরম মানের গড় নিয়ে গড় ব্যবধান নির্ণয় করা হয়। আবার কোনো নিবেশনের মধ...

যোজিত বা গাণিতিক গড় কি? যোজিত বা গাণিতিক গড়ের বৈশিষ্ট্য, সুবিধা, অসুবিধা, ব্যবহার আলোচনা কর

Image
যোজিত বা গাণিতিক গড় কাকে বলে। বৈশিষ্ট্য, সুবিধা, অসুবিধা ও ব্যবহার আলোচনা ভূমিকা:- যোজিত গড় হলো সমজাতীয় কতকগুলো রাশির কেন্দ্রীয় পরিমাপের একটি সংখ্যা যা রাশিগুলোর সমষ্টিকে রাশিগুলোর মোট সংখ্যা দ্বারা ভাগ করে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তার সমান যোজিত গড় ও গাণিতিক গড় একটি কেন্দ্রীয় পরিমাপক। যোজিত গড় বা গাণিতিক গড়: একই বৈশিষ্ট্যসমূহকে সম্পূর্ণ তথ্য সারির মানসমূহের যোগফলকে মোট তথ্যসংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে যে ভাগফল পাওয়া যায় তাকে যোজিত গড় বা গাণিতিক গড় বলা হয়। যোজিত গড় x = ✔ Σx/ N। এটিকে ২টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা- সরল ও ভারযুক্ত যোজিত গড়।  একই বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন তথ্যসারির মানসমূহের যোগফলকে মোট সংখ্যা দ্বারা ভাগ করে যে ভাগফল পাওয়া যায় তাই গাণিতিক বা যোজিত গড়। যোজিত গড়ের বৈশিষ্ট্যসমূহ: যোজিত গড়ের গাণিতিক বৈশিষ্ট্য: যোজিত গড়ের কিছু গাণিতিক বৈশিষ্ট্য আছে। যথা- ১. গড়কে একটি ভারসাম্য বিন্দু হিসেবে ধরা হয়। ২. গড় হতে প্রতিটি সংখ্যা মানের বিচ্যুতি নির্ণয় করলে দেখা যায় ধনাত্মক বিচ্যুতিগুলোর যোগফল ধনাত্মক বিচ্যুতিগুলোর যোগফলের সমান হয়। অর্থাৎ, সমস্ত বিচ্যুতির যোগফল শূন্য হয়। ৩. তথ্যসারির যতগুলো মান থাকবে তা...

বিস্তার পরিমাপের পদ্ধতি, প্রয়োজনীয়তা ও বৈশিষ্ট্য তুলে ধর

Image
বিস্তার পরিমাপের পদ্ধতি, প্রয়োজনীয়তা ও বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা ভূমিকা:- সামাজিক পরিসংখ্যানের বিস্তার পরিমাপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কোন নিবেশনের মানসমূহের কেন্দ্রীয় মান থেকে অন্যান্য মান এর গুরুত্বকে সঠিকভাবে পরিমাপ করার জন্য শুধু একক পদ্ধতি অনুসারে চললে হয় না। তথ্যের পরিমাণের সঠিকতার জন্যই কতিপয় বিস্তার পরিমাপ পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। বিস্তার পরিমাপের পদ্ধতিসমূহ: বিস্তার পরিমাপের বিভিন্ন প্রক্রিয়া রয়েছে এ প্রক্রিয়াগুলোকেই শ্রেণিবিভাগ বা প্রকারভেদ রুপে গঠন করা হয়। বিস্তার পরিমাপ প্রধানত ২ প্রকার। যথা- ১. অনুপেক্ষ বা পরম পরিমাপ এবং ২. আপেক্ষিক পরিমাপ। ১. অনুপেক্ষ বিস্তার পরিমাপ: যখন কোন তথ্য মানকে মানসমূহের একক অনুসারে প্রকাশ করা হয় তখন তাদেরকে অনুপেক্ষ বা পরম বিস্তার পরিমাপ বলে। এটি প্রধানত ৪ প্রকার। যথা-১. পরিসর (Range),  ২. চতুর্থক ব্যবধান (Quartile deviation)  ৩. গড় ব্যবধান (Mean deviation) এবং  ৪. পরিমিত ব্যবধান বা আদর্শ বিচ্যুতি ও ভেদাংক (standard deviation and variance) ২. আপেক্ষিক বিস্তার পরিমাপ: যখন কোন তথ্যমালাতে মানসমূহের একক অনুসারে প্রকাশ করার পর তাকে আবার অনুপাত বা...

জ্যামিতিক গড় ও তরঙ্গ গড়ের ব্যবহার সুবিধা, অসুবিধা আলোচনা

Image
জ্যামিতিক গড় ও তরঙ্গ গড়ের ব্যবহার সুবিধা, অসুবিধা ভূমিকা:- কোনো সমজাতীয় তথ্যরাশির অন্তর্ভুক্ত সকল মানকে পরস্পর গুণ করে প্রাপ্ত গুণফলের যে n-তম মূল নির্ণয় করা হয়, তাকে ঐ তথ্যরাশির জ্যামিতিক গড় বলা হয়। সামাজিক প্রপঞ্চের প্রকৃতি ও ভিন্নতার ওপর নির্ভর করে জ্যামিতিক গড়ের ব্যবহারক্ষেত্রও ভিন্ন ভিন্ন রূপে পরিলক্ষিত হয়। জ্যামিতিক গড়ের ব্যবহার: জ্যামিতিক গড়ের ব্যবহারের ক্ষেত্রে গাণিতিক গড়ের তুলনায় বেশি সীমিত। সাধারণত অনুপাত, শতকরা হার প্রভৃতি গড় নির্ণয়ের ক্ষেত্রে জ্যামিতিক গড় যাবহার করা হয়। সূচক সংখ্যা পরিগণনায় এর ব্যবহার হয়ে থকে। কোনো বিষয় বা প্রপক্ষের হ্রাস বৃদ্ধির হার এর মাধ্যমে জানা যায়। জনসংখ্যা বৃদ্ধি, মৃত্যুহার, লাভক্ষতির হার প্রকৃতি দায়ে এ গড়ের ব্যবহার করা হয়। বর্তমানে অর্থনৈতিক বিভিন্ন গবেষণায় জ্যামিতিক গড়ের ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে। পরিসংখ্যানিক তথ্য বিশ্লেষণের একটি অন্যতম হাতিয়ায় হচ্ছে জ্যামিতিক গড়। বেসায় বাণিজ্য ইত্যাদির গড় হয়। জ্যামিতিক গড়ের সুবিধা ও অসুবিধাসমূহ সামাজিক প্রপঞ্চগুলোর কেন্দ্রীয় প্রবণতায় পরিমাণকে প্রপঞ্চের ভিন্নতার কারণে যে নানামুখী পদ্ধতি প্রয়োগ হয় তার মধ্যে জ্যামিতিক গ...

বিস্তৃতি বা বিস্তার কি? বিস্তার পরিমাপের উদ্দেশ্যসমূহ লিখ

Image
বিস্তৃতি বা বিস্তার বলতে কি বোঝ? বিস্তার পরিমাপের উদ্দেশ্যসমূহ আলোচনা ভূমিকা:- পরিসংখ্যান সারিতে কেন্দ্রীয় প্রবণতা বা মধ্যক মানসমূহ নিবেশনের অবস্থান সম্পর্কে ধারণা দেয়। কিন্তু উপাত্ত বা তথ্যসমূহ কেন্দ্রীয় মান থেকে কতটুকু দূরে অবস্থান করে তা জানা যায় না। এই বিস্তার পরিমাপসমূহ মধ্যক মানসমূহের প্রতিনিধিত্ব সম্বন্ধে জানতে সহায়তা করে। তথ্য সারির কেন্দ্রীয় প্রবণতা থাকা সত্ত্বেও প্রতিটি সংখ্যামানের কেন্দ্রীয় মানের কতটা কাছাকাছি বা দূরে অবস্থিত সে সম্পর্কে ধারণা থাকা প্রয়োজন। যার জন্য বিস্তার পরিমাণ সম্পর্কে ধারণা থাকা আবশ্যক। বিস্তৃতি বা বিস্তার: কেন্দ্রীয় প্রবণতায় রাশিমান কেন্দ্রের দিকে ধাবিত হয়। অপরপক্ষে, বিস্তারের ক্ষেত্রে রাশিমান কেন্দ্রীমান হতে পরিধির দিকে ধাবিত হয়। প্রামাণ্য সংজ্ঞা: বিস্তারের সংজ্ঞায় হেইন্স কোহলার বলেন- কোন সংখ্যাগত তথ্যসারির গড় থেকে অন্যান্য মানগুলো কতটুকু তফাৎ তাও নির্দেশ করে থাকে। Bowley বলেছেন, Dispersion is a measure of the Iteims" অর্থাৎ এককসমূমের বিভিন্নতার পরিমাপকে বিস্তার বলে। Spiegel তার Statistics গ্রন্থে বলেন- কোন সংখ্যাগত তথ্যসারির গড় থেকে অন্যান্য মান...

অনুকল্পের প্রকারভেদ ও অনুকল্প যাচায়ের ধাপ সম্পর্কে লিখ

Image
অনুকল্প বা অনুমিত সিদ্ধান্তের প্রকারভেদ ও অনুকল্প যাচায়ের ধাপসমূহ ভূমিকা:- অনুমিত সিদ্ধান্ত বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানকর্মে একটি অপরিহার্য হাতিয়ার। সামাজিক গবেষণায় বৈজ্ঞানিক গবেষণার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো অনুকল্প বা অনুমিত সিদ্ধান্ত। বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানকর্মের বিভিন্ন পরিপ্রেক্ষিত বিবেচনার ভিত্তিতেই অনুমিত সিদ্ধান্তের প্রকারভেদ সৃষ্টি হয়েছে। বৈজ্ঞানিক গবেষণায় একজন গবেষককে সুনির্দিষ্ট সম্পর্কানুমান নির্ধারণে যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। অনুকল্প বা অনুমিত সিদ্ধান্তের প্রকারভেদ: অনুমিত সিদ্ধান্ত বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। নিম্নে অনুমিত সিদ্ধান্তের কতিপয় প্রকারভেদ উল্লেখ করা হলো: অনুকল্প প্রধানত ২ প্রকার। যথা- ১. বর্ণনামূলক অনুকল্প ও ২. কার্যকারণমূলক অনুকল্প। (ক) পরীক্ষণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ভিত্তিতে অনুমিত সিদ্ধান্ত ২ প্রকার হতে পারে। যেমন: ১. আরোহমূলক ও ২. অবরোহমূলক। (খ) ব্যবহার উপযোগিতার দিক থেকে অনুমিত সিদ্ধান্ত হতে পারে ২ প্রকার। যেমন: ১. পরীক্ষণযোগ্য ও ২. অপরীক্ষণযোগ্য। (গ) পরিসংখ্যানিকভাবে অনুমিত সিদ্ধান্ত যাচাই করা যায়। তাই পরিসংখ্যানিকভাবে যাচাইয়ের ভিত্তিতে অনুমিত সিদ্...

সাংগ্রাই উৎসব কী? হাজং নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর পরিচয় লিখ

Image
‘‘সাংগ্রাই উৎসব’’ কী ও হাজং কারা? ভূমিকা:- মারমা বাংলাদেশের একটি আদিবাসী ও ক্ষুদ্র জাতিসত্তা। এদের অধিকাংশই বান্দরবানে বাস করে। এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত বৌদ্ধ ধর্মের। এদের প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব বৌদ্ধ পূর্ণিমা, কঠিন চিবর দান, ওয়াহগ্যই এবং সাংগ্রাই। এদের মধ্যে সাংগ্রাই উৎসব অন্যতম। সাংগ্রাই উৎসব  মারমাদের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানকে সাংগ্রাই বলে। মারমারা ধর্মীয় ক্যালেন্ডারের বছরের শেষের ২দিন আর নতুন বছরের প্রথম দিনসহ মোট ৩ দিনকে সাংগ্রাই হিসেবে পালন করে থাকে। সাংগ্রাইয়ের প্রধান আকর্ষণ পানি খেলা। এপ্রিলের ১৩, ১৪, ১৫ তারিখ পানি খেলার মাধ্যমে তারা সাংগ্রাই উৎসব পালন করে। মারমারা একে 'ডি লং পোয়ে' বলে। তাদের কাছে সাংগ্রাই হলো পুরাতন বছরকে বিদায় করে দিয়ে নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়া। উৎসবের কিছুদিন আগে থেকেই নারীরা পূর্বপ্রস্তুতি নিয়ে থাকে। ঘরগুলো নতুন করে সাজায়। জুম থেকে চাউল নানারকমের পিঠার জন্য রেখে দেওয়া হয়। মারমা তরুণীরা দর্জিদের নিকট গিয়ে সুন্দর সুন্দর 'থামি' (মারমা মেয়েদের পোশাক) তৈরি করে নিয়ে আসে। ফুলসাংগ্রাই হয় ১২ এপ্রিলের রাতে। শীতের পর বসন্তের আগমনে পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহা...

লেখ ও নকশা কী? গণসংখ্যা নিবেশনের লৈখিক উপস্থাপন ও লেখচিত্র অঙ্কন এবং প্রয়োজনীয়তা

Image
লেখ ও নকশা কী? গণসংখ্যা নিবেশনের লৈখিক উপস্থাপন ও লেখচিত্র অঙ্কন এবং প্রয়োজনীয়তা ভূমিকা:- পরিসংখ্যানে রাশি তথ্যের সংক্ষিপ্তকরণ করার জন্য শ্রেণি বা ছকের প্রয়োজন হয় কিন্তু ছকের ক্ষেত্রে লেখ ও নকশা তার মধ্যে অন্যতম। কারণ যেসব তথ্য শ্রেণি বা হাতের মধ্যে পাওয়া যায় না সেগুলো দেখা যায় লেখ ও নকশার মধ্যে। তাই একে গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলা যায়। লেখ ও নকশা সংজ্ঞা: পরিসংখ্যানে রাশি তথ্যের সংক্ষিপ্তকরণ ও সহজে বোধগম্য করার জন্য শ্রেণি ও ছকের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। কিন্তু যেসব শ্রেণি ও ছকের মাধ্যমে রাশি তথ্যের সঠিক ধারণা পাওয়া যায় না সেসব রাশি তথ্যের লেখ ও নকশার বা চিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়। লেখ ও নকশাকে সাধারণত ছক বা কাগজে বা গ্রাফ পেপারে উপস্থাপন করা হয়। ফলে রাশি। তথ্যের সম্বন্ধে সহজে চিত্র ধারণা পাওয়া যায়। তাই বলা যায়, রাশি তথ্যের জটিলতা এড়িয়ে ছক কাগজে বা সাদা কাগজে বিভিন্ন রেখা বা চিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপন করাকে লেখ ও নকশা বলে। গণসংখ্যা নিবেশনের লৈখিক উপস্থাপন: গণসংখ্যা নিবেশনকে বিভিন্ন লেখচিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপন করা যায়। ১. আয়তলেখ, ২. গণসংখ্যা বহুভুজ, ৩. গণসংখ্যা রেখা, ৪. ক্রমযোজিত বা ক্রমযোথিক...

উপাত্ত শ্রেণিকবদ্ধকরণের অসুবিধাসমূহ আলোচনা কর

Image
উপাত্ত শ্রেণিকবদ্ধকরণের অসুবিধাসমূহ আলোচনা ভূমিকা: উপাত্ত বিশ্লেষণ ও উপস্থাপনের ক্ষেত্রে শ্রেণিকরণ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। বহুবিধ, বৃহৎ বা বিশৃঙ্খল তথ্যকে সহজবোধ্য ও সংক্ষিপ্ত করার লক্ষ্যেই শ্রেণিবিন্যাস করা হয়। শ্রেণিকরণের সাহায্যে উপাত্ত সারিবদ্ধ, সুসংগঠিত ও তুলনাযোগ্য হয়ে ওঠে এটি সত্য। কিন্তু এর পাশাপাশি বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য অসুবিধা, সীমাবদ্ধতা ও ঝুঁকিও রয়েছে, যা অনেক সময় বিশ্লেষণের গুণগত মানকে প্রভাবিত করতে পারে। উপাত্ত শ্রেণিকবদ্ধকরণ অসুবিধাসমূহ নিচে উপাত্ত শ্রেণিকবদ্ধকরণের অসুবিধাগুলো বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো। ১. উপাত্তের স্বাতন্ত্র্য নষ্ট হয়ে যায় শ্রেণিকরণের সবচেয়ে বড় অসুবিধা হলো অপরিশ্রুত বা মূল তথ্যের ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্যগুলো হারিয়ে যায়। ধরা যাক, ১৮, ১৯, ২১, ২২, ২৩ বছর বয়সের পাঁচজন ব্যক্তিকে “১৮–২৫” বছরের একটি বড় শ্রেণিতে রাখা হলো। ফলে প্রত্যেক উপাত্তের নির্দিষ্ট মান আর আলাদা করে জানা যায় না। ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্যের এই বিলোপ অনেক সময় গবেষণার সূক্ষ্মতা নষ্ট করে দেয়। ২. শ্রেণিসীমা নির্বাচন জটিল ও ভুলের সম্ভাবনা বেশি শ্রেণি তৈরির সময়ে শ্রেণিসীমা ঠিক করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর...

উপাত্তের সংজ্ঞা দাও? উপাত্তের প্রকারভেদ এবং প্রাথমিক ও মাধ্যমিক উপাত্তের মধ্যে পার্থক্য লিখ

Image
উপাত্তের সংজ্ঞা দাও? উপাত্তের প্রকারভেদ এবং প্রাথমিক ও মাধ্যমিক উপাত্তের পার্থক্য ভূমিকা:- পরিসংখ্যানিক তথ্য অনুসন্ধানের জন্য উপাত্ত সংগ্রহ অতান্ত গুরুত্বপূর্ণ কেননা উপাত্ত সংগ্রহ যত নির্ভুল ঘসে তার প্রাপ্ত ফলাফল তত নির্ভুল বা সঠিক হবে। এছাড়াও। উপাত্ত যে কোন পরিসংখ্যানিক গবেষণার দুলভিত্তি বা মূলভিত্তি হিসেবে কাজ করে। উপাত্তের সংজ্ঞা: উপাত্ত যে-কোন পরিসংখ্যানিক গবেষণায় মূলভিত্তি এটি হলো কোন বিষয় সম্পর্কে অভিব্যক্তি, অর্থাৎ তথ্য বিশ্বের প্রতিটি একক (unit) থেকে যে তথ্য বা খবরা খবর নেওয়া হয় তাকে উপাত্ত বলা হয়। জি. আর এ জমস বলেন- উপাত্ত হলো বিশ্ব সম্পর্কে তথ্য বা পর্যবেক্ষণ বিষয়াবলি যা তথ্যমালাকে বুঝায়। জন, গালতুং বলেন- উপাত্ত হচ্ছে প্রতিক্রিয়া বা লিপিবদ্ধ করণের প্রক্রিয়া অর্থাৎ উপাত্ত হচ্ছে কোন বিষয়ের অভিব্যক্তি বা সুপ্ত পর্যবেক্ষণ। উদাহরণস্বরূপঃ কোন এলাকার ব্যক্তিবাসীদের আর্থসামাজিক জীবনধারা জানতে হলে ঐ এলাকার মানুষের অভিব্যক্তি জানাতে হবে, বক্তিবাসী তাদের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে যেমন- আয়, বয়স, ইত্যাদি। যে প্রতিক্রিয়া জানায় তাই হলো উপাত্ত। উপাত্তের প্রকারভেদ আলোচনা বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী উপাত্তের...

উপাত্তের লৈখিক উপস্থাপন কি? উপাত্তের লৈখিক উপস্থাপনের গুরুত্ব ও সমস্যা আলোচনা

Image
উপাত্তের লৈখিক উপস্থাপন, গুরুত্ব ও সমস্যা আলোচনা ভূমিকা:- বর্তমানে আর্থ-সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক, ব্যবসায়িক তথ্য বিভিন্ন ধরনের লৈখিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উপস্থাপন করা হচ্ছে। পরিসংখ্যানে তথ্যগুলোকে সহজে বোধগম্য করার জন্য উপাত্তের লৈখিকা উপস্থাপনের প্রয়োজন হয়। উপাত্তের লৈখিক উপস্থাপন: উপাত্তের লৈখিক উপস্থাপন কথাটির অর্থ হলো উপাত্তসমূহকে লেখচিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপন পরিসংখ্যানের উপাত্তগুলোকে সহজে বোধগম্য করার জন সাধারণত শ্রেণি বিন্যাস ও ছক বিন্যাসিত উপাত্ত থেকে সেগুল্যে প্রকৃতি সঠিকভাবে অনুসন্ধান করা যায় না। এক্ষেত্রে উপাত্তসমূহতে যদি লেখচিত্রের সাহায্যে প্রকাশ করা হয় তাহলে উপাত্তগুলো তাৎপর্য সহজে বোধগম্য হয়। যখন পরিসংখ্যানিক উপাত্তসমূহতে লেখচিত্রের সাহায্যে উপস্থাপন করা হয় বা প্রদর্শিত হয় তম তাকে লেখচিত্রের সাহায্যে উপাত্তের উপস্থাপন বলে। উপাত্তের লৈখিক উপস্থাপনের গুরুত্বসমূহ গাণিতিকভাবে উপাত্ত উপস্থাপনের মাধ্যমে সকল ক্ষেত্রে তাদের অন্তর্নিহিত তাৎপর্য উপলব্ধি করা যায় না বিধায় লেখচিত্রের প্রয়োজনীয়তা অনেক বেশি। উপাত্তের লৈখিক উপস্থাপনের গুরুত্ব নিম্নে বর্ণনা করা হলো- ১. সহজবোধ্যত...

সামাজিক পরিসংখ্যানের সংজ্ঞা দাও? পরিসংখ্যানের এককগুলো সংক্ষেপে আলোচনা কর

Image
সামাজিক পরিসংখ্যান বলতে কি বুঝ? পরিসংখ্যানের এককগুলো লিখ ভূমিকা:- সামাজিক বিজ্ঞান সমাজের সংস্কৃতি, ধর্ম, রাজনীতি, অর্থনীতি প্রভৃতি বিষয় নিয়ে আলোচনা করে। কিন্তু, সামাজিক প্রপঞ্চ নিয়ত পরিবর্তনশীল, বিভিন্নতায় পরিপূর্ণ এবং বেশিরভাগ সময় গুণগত বৈশিষ্ট্য বহন করে, যা সহজে ইন্দ্রিয়গোচর হয় না। গুণবাচক তথ্য পরিমাপ করা যায় গণনা করা যায় না। সামাজিক পরিসংখ্যান সংজ্ঞা: সামাজিক গবেষণায় ব্যবহৃত পরিসংখ্যানকে সামাজিক পরিসংখ্যান বলা হয়ে থাকে। এটি পরিসংখ্যানেরই একটি শাখা যেখানে সামাজিক বিষয়াদির গুণাত্মক ও সংখ্যাত্মক তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হয়। সমাজবিজ্ঞানীরা গুণাত্মক ও সংখ্যাতত্মক উভয় ধরনের তথ্যের সুশৃঙ্খল অধ্যয়নের জন্য পরিসংখ্যানের বিভিন্ন ধরনের কলাকৌশলকে সামাজিক গবেষণায় প্রয়োগ করেছেন। এটিই সামাজিক পরিসংখ্যান। হ্যান্সরাজ সামাজিক পরিসংখ্যানের সংজ্ঞায় বলেন,  সামাজিক পরিসংখ্যান সেই সকল মৌল পরিসংখ্যানিক সূচকসমূহকে নির্দেশ করে যা কোনো একটি দেশের সামগ্রিক সামাজিক অবস্থা বিশেষ করে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জীবন যাত্রার মানের পরিবতর্নশীলতা ও গতি প্রকৃতির হা সংখ্যাত্মক বিবরণ প্রদানে সক্ষম হয়। নরম্যান আর কার্টজ এ...

নামসূচক স্কেল কি ? নামসূচক স্কেলের বৈশিষ্ট্য লিখ

Image
নামসূচক স্কেল কি ? নামসূচক স্কেলের বৈশিষ্ট্য লিখ ভূমিকা:- সামাজিক গবেষণায় সংগৃহীত তথ্য বিভিন্ন মানদন্ডে পরিমাপ করা হয়। সংগৃহীত তথ্যাবলির উদ্দেশ্যানুযায়ী পরিমাপ একটি উল্লেখযোগ্য বিষয়। সামাজিক প্রপঞ্চ অধিকাংশ গুণবাচক হয়। তা সত্ত্বেও সেগুলি বিশেষ বিশেষ পরিমাপ করা যায়। এ পরিমাপের মধ্য অন্যতম নামসূচক স্কেল। নামসূচক স্কেল সংজ্ঞা কোনো ঘটনা বা বস্তুকে নাম দ্বারা প্রকাশ করলে বা নাম দ্বারা পরিমাপ করলে তাতে নায়সূচক স্কেল বা পরিমাপক বলে। কোনো ব্যক্তি, বিষয় বা বস্তুকে নাম দ্বারা সূচিত করা যেতে পারে এবং সে অনুযায়ী স্কেল তৈরি হয়। কতকগুলো বাক্তিকে রহিম, মাহি, রানা, টিপু, সোহাগ প্রভৃতি নাম দ্বারা প্রকাশ করা যায়। ধর্মীয় দিক থেকে আমরা কোনো ব্যক্তিকে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান নাম দ্বারা প্রকাশ করতে পারি। এক্ষেত্রে অবশ্য সংখ্যাকে বাবহার করা হয়নি। সংখ্যা ব্যবহারের প্রয়োজনও হয় না। তবে নামসূচক স্কেলকে সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করা যেতে পারে। যেমন- গাড়ির মডেল নম্বর দ্বারা কোনো গাড়িকে চিহ্নিত করা যেতে পারে। বাড়ির নম্বর দিয়ে কোনো বাড়িকে চিহ্নিত বনা যেতে পারে। এক্ষেত্রে এসব সংখ্যা বা নম্বরকে গণনা করা যাবে না ...

বিজ্ঞানের শাখায় পরিসংখ্যানের ব্যবহার ও গুরুত্ব লেখ

Image
বিজ্ঞানের কয়েকটি শাখায় পরিসংখ্যানের ব্যবহার ও গুরুত্ব আলোচনা ভূমিকা:- অতি প্রাচীনকাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত জ্ঞানবিজ্ঞানের অনেক ক্ষেত্রে পরিসংখ্যানের ব্যবহার হচ্ছে। সমাজ বা রাষ্ট্রে একটা বিশাল ক্ষেত্র এবং এ বিশাল ক্ষেত্র নিয়ে কাজ করতে গেলে অনেক সময় ও শ্রমের প্রয়োজন। তাই সীমিত উপাত্তের উপর নির্ভর করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করাই প্রকৃতপক্ষে পরিসংখ্যানের কাজের আওতাভুক্ত। পরিসংখ্যান শুধু বর্তমানকে নিয়েই আলোচনা করে না সাথে সাথে অতীতকে এবং বর্তমানে ও অতীতের আলোকে ভবিষ্যৎকে নিয়েও আলোচনা করে। যার জন্য পরিসংখ্যানের ব্যবহার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। পরিসংখ্যানের ব্যবহার পরিসংখ্যানের উৎপত্তি হয়েছিল রাষ্ট্রীয় হিসাবনিকাশের জন্য। বর্তমানে রাষ্ট্রীয় কার্যের পাশাপাশি সামাজিক, অর্থনৈতিক, ব্যবসায়িক, রসায়ন, জীববিদ্যা, কৃষি প্রভৃতি ক্ষেত্রে এর ব্যাপক ব্যবহার হচ্ছে। বিজ্ঞানের কয়েকটি শাখায় পরিসংখ্যানের ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করা হলো। ১. সমাজবিজ্ঞানে পরিসংখ্যান সমাজবিজ্ঞানের মূল আলোচ্য বিষয় মানুষ ও সমাজ। মানুষ কিভাবে সমাজে বসবাস করে। বিভিন্ন সমস্যা ও তার প্রতিকার, স্তরবিন্যাস প্রভৃতি দিয়ে সমাজবিজ্ঞান আলোচনা করে। সমাজের...

পরিসংখ্যানের সুবিধা, অসুবিধাসমূহ আলোচনা কর

Image
পরিসংখ্যানের সুবিধা, অসুবিধাসমূহ আলোচনা ভূমিকা:- পরিসংখ্যান ঊনবিংশ শতকের মধ্যভাগে শুরু হলেও বর্তমানে পরিসংখ্যান একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে সর্বত্র আত্মপ্রকাশ করেছে। কোনো বিষয়ে অনুসন্ধান করাই পরিসংখ্যানের এখন কাজ। Statistica as the political sciences of the serveral countries ১৭৪৯ খ্রি গডফ্রিন্ড জাকেন ওয়াল সর্বপ্রথম পূর্ণাঙ্গ Academic discipline হিসেবে Statistics শব্দটি ব্যবহার ফরেন। বর্তমানে গবেষণার ক্ষেত্রে বিশেষ করে সামাজিক ও বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে এর ভূমিকা অনস্বীকার্য কারণ পরিসংখ্যান ও গবেষণা ওতপ্রোতভাবে সম্পৃক্ত। সামাজিক গবেষণায় পরিসংখ্যানের সুবিধাসমূহ: নিম্নে পরিসংখ্যানের সুবিধাগুলো আলোচনা করা হলো। ১. উপাত্ত সংগ্রহ পরিসংখ্যানিক প্রক্রিয়ার প্রথম ও প্রধান কাজ হলো উপাত্ত সংগ্রহ করা। উপাত্ত সংগ্রহের মাধ্যমে অনুসন্ধান কাজ শুরু হয়। প্রকাশিত বা অপ্রকাশিত তথ্য হতে অর্থাৎ, প্রাথমিক বা গৌণ উৎস হতে উপাত্ত সংগ্রহ করতে হয়। ২. তথ্যাবলির উপস্থাপন পরিসংখ্যানের অন্যতম কাজ হলো সংগৃহীত সংখ্যাত্মক তথ্যকে লেখচিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপন করা। কেননা, লেখচিত্রের মাধ্যমে একদিকে যেমন উপস্থাপিত তথ্যের অ...