জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রি, অনার্স ও মাস্টার্স ভর্তি গাইডলাইন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়: অনার্স, ডিগ্রি ও মাস্টার্স ভর্তি এবং ভর্তি রেজাল্ট চেক প্রক্রিয়া গাইডলাইন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় (NU) বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এর অধীনে থাকা হাজার হাজার কলেজে প্রতি বছর লাখ লাখ শিক্ষার্থী ভর্তি হয়। তবে মনে রাখবেন, এখানে কোনো ভর্তি পরীক্ষা দিতে হয় না; বর্তমানে অনার্স কোর্সের জন্য ভর্তি পরীক্ষা চালু হয়েছে, ডিগ্রি পাশ কোর্স ও মাস্টার্স এ ভর্তির জন্য ভর্তি পরীক্ষা দিতে হয় না বরং আপনার পূর্ববর্তী পরীক্ষার (SSC/HSC/Honours) রেজাল্টের ভিত্তিতে মেধা তালিকা তৈরি করা হয়। আজ আমরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি সংকরান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করব আশা করি আজকের পোস্টটি শিক্ষার্থীদের জন্য উপকারী ও গুরুত্বপূর্ণ একটি পোস্ট যা তাদের ভর্তি সংক্রান্ত বিষযে সকল সমস্যা সমাধানের সহায়ক হবে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রি, অনার্স ও মাস্টার্স ভর্তি গাইডলাইন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি নিয়ামাবলি- ডিগ্রি, অনার্স ও মাস্টার্স

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বিষয়ক আজকের পোস্টে আমরা জানবো কিভাবে অনলাইন এ ভর্তির জন্য আবেদন করতে হয়? কিভাবে আবেদন রেজাল্ট চেক করতে হয়? ভর্তি ফরম ডাইনলোড জমা ও কলেজে রিসিভ হয়েছে কি না চেক করার নিয়ম সম্পর্কে।

১. অনার্স (Honours) ভর্তি প্রক্রিয়া

অনার্স হলো চার বছর মেয়াদী একটি কোর্স। সাধারণত এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের কিছুদিনের মধ্যেই অনার্সে ভর্তি নোটিশ প্রকাশিত হয় ও অনলাইন আবেদন শুরু হয়। অনার্স কোর্সে শিক্ষার্থীরা তার বিগত শিক্ষাজীবনের যে কোন একটি বিষয়কে পছন্দ করে আবেদন করতে পারে এবং পাশাপাশি ১-৩ বিষয় পরবর্তী পছন্দ হিসেবে বিষয় চয়েজ দিয়ে আবেদন করতে পারে।

অনার্স আবেদনের যোগ্যতা:

সাধারণত এসএসসিতে ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫ এবং এইচএসসিতে ৩.৫ (চতুর্থ বিষয়সহ) প্রয়োজন হয়। তবে প্রতি বছর বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এটি কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে।

আবেদন পদ্ধতি:

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স কোর্সের ভর্তি নোটিশ প্রকাশ হলে নোটিশ অনুয়ায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ভর্তি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে আবেদন ফরম পূরণ করতে হয়।অনার্স ভর্তি আবেদন লিংকপ্রবেশ করে সকল কিছু সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে।

আবেদন ফরম পূরণ এবং কলেজ ও বিষয় নির্বাচন:

অনার্স কোর্সে শিক্ষার্থী একটি মাত্র কলেজ পছন্দ করতে পারে এবং সেই কলেজের মেধা অনুযায়ী বিষয়ের তালিকা সাজাতে পারে। এখানে শিক্ষার্থী তার পছন্দমত একটি প্রধান একটি বিষয় নির্বাচন ও সাথে ১-৩ টি বিষয় সহায়ক পছন্দ রাখতে পারে।

আবেদন ফি জমাদান প্রক্রিয়া

অনার্স বা স্নাতক (সম্মান) কোর্সে আবেদন করার পর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নোটিশে উল্লেখিত ফি অনলাইন এ বিকাশ-রকেট-নগদের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে। বিকাশ-রকেট-নগদ হতে এডুকেশন ফি তে গিয়ে যে কলেজ নিরবাচন করেছে সেই কলেজের নাম দিয়ে সার্চ করে তারপর আবেদন ফরমের রোল নং দিয়ে এন্টির দিলে ফি এর পরিমাণ চলে আসবে তারপর পেমেন্ট দিবেন।

অনার্স বা স্নাতক (সম্মান) ভর্তি পরীক্ষা

উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের মানবিক, ব্যবসায় ও বিজ্ঞান শাখার জন্য আলাদাভাবে ১০০ নাম্বারের অতিসংক্ষিপ্ত (MCQ) ১০০ টি প্রশ্নের ১ ঘন্টা পরীক্ষা হবে। (SSC/HSC)  পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ ভিত্তিতে ৪০% ও ৬০% হারে ১০০ মার্কসহ মোট ২০০ নাম্বারের ভিত্তিতে কলেজ অনুযায়ী বিষয়ভিত্তিক মেধা তালিকা প্রকাশ করা হবে।

আবেদন রিসিভ, এডমিট কার্ড ডাউনলোড ও ভর্তি রেজাল্ট চেক নিয়ামাবলি

অনার্সের অনলাইন আবেদন কাজ শেষ হওয়ার পর তার আবেদনটি কলেজ কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করেছে কিনা সেটা যাচাই করা প্রয়োজন কারণ কলেজে আবেদন গ্রহণ না করলে ভর্তি আবেদন বাতিল হয়ে যাবে। আবেদন করার পর যখন এডমিশন পরীক্ষার নোটিশ হবে তখন পরীক্ষার্থী তার এডমিট কার্ড ডাউলোড করে নিবে এবং নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট পরীক্ষার সেন্টারে গিয়ে পরীক্ষা দিব। পরীক্ষার রেজাল্ট প্রকাশিত হলে তখন তার পছন্দের কলেজ বা নির্বাচনকৃত বিষয়টিতে চান্স হয়েছে কিনা? তার জন্য শিক্ষার্থী তার আবেদন এর রোল নং ও পিন নং দিয়ে অনলাইনে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে।আবেদন রিসিভ ও রেজাল্ট চেক লিংক। আপনার নির্বাচিত পছন্দের বিষয় চান্স পাওয়ার পর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে নোটিশ অনুয়ায়ী নির্ধারিত আবেদন ও ভর্তি প্রক্রিয়া কাজ সম্পন্ন করার মাধ্যমে আপনি অনার্স বা স্নাতক (সম্মান) যাত্রা শুরু করতে পারবেন।

মেধা তালিকা (Merit List):

সাধারণত এসএসসি ও এইচএসসি ফলাফলের ভিত্তিতে প্রথম ও দ্বিতীয় মেধা তালিকা প্রকাশ করা হয়। এখানে কোটা: মুক্তিযোদ্ধা, আদিবাসী ও প্রতিবন্ধী কোটার সুযোগ রয়েছে।

রিলিজ স্লিপ (Release Slip):

যদি কেউ মেধা তালিকায় স্থান না পায় বা পছন্দমতো বিষয় না পায়, তবে সে পরবর্তীতে রিলিজ স্লিপের মাধ্যমে ৫টি কলেজে নতুন করে আবেদন করতে পারে।

২. ডিগ্রি পাস (Degree Pass) কোর্স ভর্তি প্রক্রিয়া

যারা নিয়মিত অনার্স বা স্নাতক (সম্মান) কোর্সে সুযোগ পায় না বা তিন বছর ডিগ্রিা বা (স্নাতক পাশ) শেষ করতে চায়, তাদের জন্য ডিগ্রি (পাস) কোর্স উপযুক্ত। এটি তিন বছর মেয়াদী।কোর্সসমূহ: বিএ (BA), বিএসএস (BSS), বিএসসি (BSc) এবং বিবিএস (BBS)।

ডিগ্রি পাশ কোর্স ভর্তির আবেদন যোগ্যতা:

সাধারণত এসএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ ২.০ থাকলে আবেদন করা যায়।

ডিগ্রি পাশ কোর্স অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া:

অনার্সের মতোই অনলাইনে আবেদন করতে হয় এবং নোটিশে উল্লেখিত আবেদন ফি সংশ্লিষ্ট কলেজে জমা দিতে হয়। যেহেতু ডিগ্রী পাশ কোর্স ৩ বছরের কোর্স তাই মাস্টার্স সম্পন্ন করতে ডিগ্রির শিক্ষার্থীদের ডিগ্রি শেষ করার পর ২ বছরের  প্রিলিমিনারি টু মাস্টার্স ১ বছর ও মাস্টার্স শেষ বর্ষ ১ বছরের কোর্স করতে হয়। ডিগ্রি নিয়মিত কোর্স ভর্তি অনলাইন আবেদন করতে ক্লিক করুন। ডিগ্রি প্রাইভেট কোর্স অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া ক্লিক করুন।

ডিগ্রি পাশ কোর্স বা স্নাতক পাশ ভর্তি রেজাল্ট চেক

অনার্সের মতই ডিগ্রির অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর শুধু অনলাইন অবেদন রোল ও পিন নং দিয়ে আপনি আপনার নির্বাচিত কলেজে রিসিভ হয়েছে কিনা চেক করে নিবেন ও রেজাল্ট প্রকাশ হলে চান্স হয়েছে কি সেটা চেক রে নিবেন। এখানে ভর্তি পরীক্ষা না থাকায় এডমিট কার্ ও ভর্তি পরীক্ষা দিতে হবে না শুধু েএসএসসি ও এইচএসসি এর রেজাল্টের উপর ভিত্তি করে আপনার রেজাল্ট প্রকাশিত হবে। ডিগ্রি আবেদন রেজাল্ট চেক লিংক এবং প্রাইভেট ডিগ্রি কোর্স আবেদন রেজাল্ট চেক করুন

৩. মাস্টার্স (Masters) ভর্তি প্রক্রিয়া

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই ধরনের মাস্টার্স কোর্স রয়েছে। প্রিলিমিনারি টু মাস্টার্স এবং মাস্টার্স ফাইনাল।

প্রিলিমিনারি টু মাস্টার্স (Masters Preliminary) ভর্তির নিয়ম: 

যারা ডিগ্রি (পাস) কোর্স শেষ করেছেন, তাদের জন্য এটি ১ বছরের কোর্স। এরপর তারা মাস্টার্স ফাইনাল দিতে পারেন। প্রিলিমিনারি টু মাস্টার্স কোর্সে ভর্তির জন্য আপনাকে আগে ডিগ্রি পাশ কোর্স সম্পন্ন করতে হবে ও নির্ধারিত কলেজসমূহে আপনার ডিগ্রিতে যে সকল বিষয় ছিলো বিএ. বিএসএস, বিএসসি এ সেই সকল বিষয যে সকল কলেজে প্রিলিমিনারী টু মাস্টার্স কোর্স চালু আছে সেই কলেজে আবেদন করতে পারবেন যে কোন একটি বিষয়ে এবং এটি ডিগ্রি কোর্স এর বিষয়ের উপর ভিত্তি করে মেধা তালিকা প্রকাশ করা হবে। প্রিলিমিনারি টু মাস্টার্সে আবেদনের জন্য ডিগ্রি কোর্সে সর্বনিম্ন ২.২৫ রেজাল্ট পেতে হয়। প্রিলিমিনারী টু মাস্টার্স কোর্স আবার দুই রকম নিয়মতি ও প্রাইভেট কোর্স। নিয়মিত কোর্সে সিট সংখ্যা বরাদ্ধ থাকে এবং প্রাইভেট কোর্সে ১০০০ সিট থাকে প্রতি বিষয়ের জন্য। প্রিলিমিনারি টু মাস্টার্স নিয়মিত ভর্তি অনলাইন করতে ক্লিক করুন  এবং প্রাইভেট প্রিলি টু মাস্টার্স কোর্স ভর্তির অনলাইন আবেদন করতে ক্লিক করুন।

মাস্টার্স ফাইনাল (Masters Final) ভর্তির নিয়ম:

যারা ৪ বছরের অনার্স বা স্নাত্ক (সম্মান) কোর্স শেষ হওয়ার পর মাস্টার্স ফাইনাল ১ বছরের কোর্স সম্পন্ন করতে হয়। এখানে অনলাইনে আবেদন করার মাধ্যমে অনার্সের সিজিপিএ (CGPA) নম্বরের ভিত্তিতে মেধা তালিকা প্রণয়ন করা হয়।

নির্দিষ্ট সময় পর পর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় তাদের ওয়েবসাইটে মাস্টার্স ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এবং নোটিশের নিয়ম অনুযায়ী অনলাইন আবেদন কাজ শেষ করতে হয়। মাস্টার্স অনলাইন আবেদন ক্লিক করে আপনার প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস সাবমিট করুন। যারা প্রাইভেট কোর্সে ভর্তি হতে ইচ্ছুক তারা নিয়মিত কোর্স ভর্তি শেষ হওয়ার পর মাস্টার্স প্রাইভেট কোর্স এ আবেদন করতে পারবেন।

মাস্টার্স আবেদন রিসিভ ও ভর্তি রেজাল্ট চেক

প্রিলিমিনারী টু মাস্টার্স আবেদন রেজাল্ট চেক করুন প্রিলি টু মাস্টার্স রেগুলার কোর্স ও প্রিলি মাস্টার্স প্রাইভেট কো্র্স। মাস্টার্স ফাইনাল আবেদন রেজাল্ট চেক করুন- মাস্টার্স নিয়মিত কোর্সমাস্টার্স ফাইনাল প্রাইভেট কোর্স

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি আনলাইন করতে প্রয়োজনীয় কাগজ

ভর্তির সময় যে ভুল এড়াতে নিচের ধাপগুলো গুরুত্ব সহকারে অনুসরণ করুন:

ডিগ্রি ও অনার্স ভর্তি: এস.এস.সি ও এইচ.এস.সি রেজাল্ট মার্কসিট, ছবি, সচল মোবাইল নং, পিতা-মাতা নিজের জম্ম নিবন্ধন বা পরিচয় পত্র নাম্বার।

মাস্টার্স ভর্তি: এস.এস.সি, এইস.এস.সি, ডিগ্রি ও অনার্স পাশের ডকুমেন্টস, মার্কসিট বা রেজাল্ট অনরাইন কপি, জাতীয় পরিচয় পত্র নং, মোবাইল নং, ছবি।

অনলাইন আবেদন: নির্ধারিত ওয়েবসাইটে গিয়ে সঠিক রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফর্ম পূরণ।

ছবি আপলোড: পাসপোর্ট সাইজের নির্দিষ্ট মাপের (১৫০x১২০ পিক্সেল) ছবি আপলোড করুন।

ফি প্রদান: মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ/নগদ) বা সরাসরি কলেজের মাধ্যমে আবেদন ফি জমা।

কাগজপত্র জমা: অনলাইন ফর্মের প্রিন্ট কপি, নম্বরপত্র ও প্রশংসাপত্রের ফটোকপি কলেজে জমা দেওয়া।

নিশ্চয়ন: কলেজ আপনার আবেদন গ্রহণ (Approve) করেছে কি না তা এসএমএস-এর মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া বা সরাসরি এডমিশন রোল ও পাসওয়ার্ড দিয়ে প্রবেশ করে চেক করা।

রিলিজ স্লিপ কী এবং কেন?

অনেকেই প্রথমবার আবেদন করে পছন্দের কলেজ বা বিষয় পায় না। তাদের জন্য রিলিজ স্লিপ একটি সুবর্ণ সুযোগ।আপনি যদি মেধা তালিকায় স্থান না পান।যদি ভর্তি হয়েও পরবর্তীতে ভর্তি বাতিল করেন।মেধা তালিকায় স্থান পেয়েও যদি ওই বিষয়ে ভর্তি না হন।এই ক্ষেত্রে আপনি নতুন করে ৫টি ভিন্ন ভিন্ন কলেজ পছন্দ করে আবেদন করতে পারবেন। এটি সাধারণত দুই থেকে তিনবার দেওয়া হয়।

কিছু প্রয়োজনীয় টিপস:

আপনার পয়েন্ট যদি কম থাকে, তবে বিভাগীয় শহরের বড় কলেজগুলো এড়িয়ে জেলা বা উপজেলা পর্যায়ের কলেজ পছন্দ করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

বিষয় নির্বাচন:

কেবল নামী বিষয় নয়, বরং আপনার যে বিষয়ে আগ্রহ আছে এবং ভবিষ্যতে যে বিষয়ে ক্যারিয়ার গড়তে চান সেটিকেই তালিকার শুরুতে রাখুন।

সময়সীমা:

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্ভারে অনেক সময় অতিরিক্ত চাপের কারণে কাজ ধীর হয়ে যায়, তাই আবেদনের শেষ দিনের জন্য অপেক্ষা না করে দ্রুত কাজ সেরে নিন।

সতর্কতা:

আবেদন করার পর অবশ্যই মোবাইল ফোনে কনফার্মেশন মেসেজ চেক করবেন। কলেজ যদি আপনার আবেদন অনলাইনে 'Receive' না করে, তবে আপনার আবেদনটি বাতিল বলে গণ্য হবে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে শিক্ষা জীবন আপনার ক্যারিয়ারের একটি বড় ভিত্তি হতে পারে। সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি সংক্রান্ত বিষয়ে সাহায্যর জন্য মেসেজে করুন আমাদের shikhaprotidin ফেসবুক পেইজে।

নবীনতর পূর্বতন