বস্তুবাদের মূল বক্তব্য কী? মার্কসের দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ তত্ত্বটি পর্যালোচনা কর

বস্তুবাদের মূল বক্তব্য কী? মার্কসের দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ তত্ত্ব পর্যালোচনা

ভূমিকা: জার্মান দার্শনিক, সমাজচিন্তাবিদ এবং বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের জনক কার্ল মার্কস বিশ্বজুড়ে শোষিত ও বঞ্চিত মানুষের মুক্তির দিশারি। তিনি কেবল সমাজকে ব্যাখ্যা করেননি, বরং সমাজ পরিবর্তনের পথও দেখিয়েছেন। মার্কসীয় দর্শনের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হলো 'দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ' (Dialectical Materialism)। এটি এমন একটি বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি যা জগত, প্রকৃতি এবং সমাজকে কোনো অলৌকিক শক্তি দিয়ে নয়, বরং বস্তুর অভ্যন্তরীণ গতির মাধ্যমে ব্যাখ্যা করে।

বস্তুবাদের মূল বক্তব্য কী? মার্কসের দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ তত্ত্বটি পর্যালোচনা কর

বস্তুবাদের মূল বক্তব্য

বস্তুবাদ এমন একটি তত্ত্বভিত্তিক মতবাদ, যা জড় বা বস্তুকে বিশ্বজগতের আদি সত্তা বলে মনে করা হয়। এক্ষেত্রে গতি হলো বস্তুর ধর্ম। বস্তুবাদী ধারণা অনুসারে বস্তুই আগে এসেছে এবং চেতনা পরে। অর্থাৎ, বস্তু হলো প্রাথমিক ধারণা এবং চেতনা হলো গৌণ ধারণা। বস্তুবাদীরা নিরপেক্ষ বিষয়ের পৃথক অস্তিত্বে বিশ্বাস করে। বস্তুবাদের মূলকথা হলো "বস্তুই জগতের আদি উপাদান'। জগতের সকল কিছুই বস্তু থেকেই উদ্বৃত। কাজেই বস্তু সম্পর্কে মার্কসীয় দার্শনিকদের মূল বক্তব্য হলো-

১. এটি (বস্তু) একটি দার্শনিক ধারণা। লেনিনের ভাষায়, "এটি দর্শনশাস্ত্রের একটি প্রত্যয়, যা বস্তুর বাস্তবসত্তাকে প্রকাশ করে এবং যা মানুষের ইন্দ্রিয় ধারা অনুভূত হয়। ইন্দ্রিয়গুলো বস্তুকে নকল করে, তার ছবি তুলে এবং আমাদের অনুভূতিতে বস্তুর প্রতিফলন ঘটে।"

২ বস্তুর রূপগত পার্থক্য সত্ত্বেও সকল বস্তুর একটা সাধারণ গুণ রয়েছে, তা হলো তাদের বস্তুসত্তা বা Materiality এবং বাস্তবতা বা Objectivity। স্বতন্ত্র অস্তিত্বও জগগত পার্থক্য সত্ত্বেও বস্তু এবং প্রাকৃতিক ঘটনাবলি সকলই হলো বস্তুময়।

৩. দার্শনিক বস্তুবাদ মনে করে বস্তুকে সৃষ্টি করা যায় না এবং ধ্বংসও করা যায় না। তবে বস্তুর পরিবর্তন ও অগান্তর ঘটে। যস্তু স্থির ও নিশ্চল নয়। মার্কসীয় ধারণা অনুসারে বস্তু বলতে গতিময় বস্তুকে বুঝানো হয়। অর্থাৎ, বস্তু শাশ্বত পরিবর্তনশীল।

৪. বস্তু অজ্ঞেয় নয়, বস্তুবিশ্বের বাস্তব সত্তাই হলো এর প্রধান ধর্ম এবং মানবমনে বস্তুর প্রতিফলন ঘটে, তাই একে জানা যায়। দার্শনিক বস্তুবাদ মনে করে বিজ্ঞান ও অনুশীলনের মধ্য দিয়ে বস্তুজগৎ এবং নিয়মাবলিকে জানা যায়। প্রকৃত অর্থে এটাই মার্কসীয় দার্শনিক বস্তুবাদী ব্যাখ্যা।

কার্ল মার্কসের দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ তত্ত্ব

বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের জনক কার্ল মার্কসের দর্শনের মূলমন্ত্র দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। কার্ল মার্কস দ্বান্দ্বিক পদ্ধতিতে তাঁর দর্শদের আলোচনায় Hegel-এর দ্বান্দ্বিক পদ্ধতির ধারণা যেছে প্রেরণা নিয়েছিলেন। দ্বান্দ্বিক বস্তুবাংনর ক্ষেত্রে হোগল ও মার্কসের মধ্যে পদ্ধতিগত দিক থেকে সাদৃশ্য থাকলেও উদ্দেশ্যের দিক থেকে তাদের অবস্থান ছিল দুই মেরুতে। কেননা Hegel-এর Dialect-এর মূল বিষয় ছিল Idea আর মার্কসের দ্বন্দ্বের মূলভিত্তি হলো বস্তু বা Matter, এ কারণেই মার্কসের দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ হেগেলের দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন।

মূল বক্তব্য:

বস্তুর মধ্যকার দ্বান্দ্বিক মতবাদকে ধারণ করে ইতিহাসের মধ্যে সমাজ বিকাশকে বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যা করার অভিপ্রায় নিয়েই মার্কস তার দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ ও তত্ত্বের উপস্থাপন করেন। যেখানে তিনি বলেন, বস্তুই মুখ্য এবং চিন্তা ও চেতনা গৌণ। তার মতে, সচেতনতা গড়ে উঠেছে বস্তুর ভিত্তিতে, বস্তুই শুরু এবং বস্তুই শেষে। বস্তুজগতের বাইরে অন্য কিছু সম্পর্কে চিন্তা করার অবকাশ নেই। বস্তুর অস্তিত্ব আছে বলেই সে সম্পর্কে মানুষের মনে ধারণা জন্মে। আর বস্তুজগতের পরিবর্তন ও বিকাশ হলো প্রকৃতির অন্তনিহিত স্ববিরোধের পরিণতি, তথা পরস্পরবিরোধী প্রাকৃতিক শক্তির ঘাত-প্রতিঘাতের ফল। আর এভাবেই বিকাশ সাধিত হয় সমাজব্যবস্থার।

দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ তত্ত্বের ব্যাখ্যা:

মার্কসের দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদের মূল বিষয় হলো Matter তার মতে, প্রত্যেক বস্তুর মধ্যেই দুটি বিপরীতধর্মী সত্তা ঘটে। বস্তুর পরিবর্তনের ফলেই মানুষের চিন্তার পরিবর্তন ঘটে। তার অবস্থান করার ফলে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব হয় এবং বস্তুর পরিবর্তন মতে, সমাজ নিজেই একটা বস্তু। সমাজের বাস্তব অবস্থা থেকে চিন্তাচেতনার সৃষ্টি। এই সামাজিক চেতনা ও চিন্তা গড়ে উঠেছে সামাজিক অভিজ্ঞতার আলোকেই। মার্কসীয় দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদের স্বরূপ দ্বান্দ্বিকতার মূলনীতিগুলো ও দ্বান্দ্বিকতার বিভিন্ন দিকের মধ্যে নিহিত রয়েছে। নিম্নে এ সম্পর্কে আলোচনা করা হলো-

১. সকল বস্তু পরস্পর নির্ভরশীল

মার্কসের মতে, বস্তুজগতের সকল ঘটনা ও বিষয় একটি আরেকটির সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কযুক্ত। প্রতিটি বস্তু বা ঘটনা প্রকৃতিগতভাবে সম্পর্কিত ও পরস্পরের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। প্রত্যেকের ক্রিয়াকলাপ অন্যের উপর নির্ভরশীল। তাই কোনো ঘটনাকে বিচ্ছিন্ন করে নিয়ে বিশ্লেষণ করার সুযোগ নেই। পারিপার্শ্বিকতার সঙ্গে প্রতিটি ঘটনা জড়িত।

২. বস্তুর গতিশীলতা

বিশ্বের কোনো কিছুই স্থায়ী বা চিরন্তন বা অনড় নয়। বস্তু মাত্রই গতিশীল ও পরিবর্তনশীল। বস্তুজগতের সমস্ত ব্যাপারই কেবল সর্বদা পরিবর্তনের আওতায় আসছে, তা না। এরা ক্রমাগত বিকাশের পথে অগ্রসর হচ্ছে। প্রাথমিক জীবন্ত কোষ থেকে আরম্ভ করে মানুষ পর্যন্ত প্রকৃতির সব কিছুই অবিরামভাবে পারিবর্তনের অধীন হচ্ছে।

৩. বস্তুর পরিমাণগত পরিবর্তন থেকে গুণগত পরিবর্তন:

প্রতিটি পরিবর্তনের ক্ষেত্রেই দুটো দিক রয়েছে। যথা-পরিমাণগত ও গুণগত। পরিমাণগত পরিবর্তন নির্দিষ্ট মাত্রায় হয় এবং অনির্দিষ্টকালব্যাপী তা চলতে পারে না। তাই পরিমাণগত পরিবর্তনের কোনো একটা নির্দিষ্ট ধাপে আকস্মিকভাবে গুণগত পরিবর্তন প্রতীয়মান হয়। গতি ও পরিবর্তন তাই বস্তুর সাধারণ প্রবণতা ও সর্বজনীন বৈশিষ্ট্য হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে প্রতিটি পরিবর্তনই পরিযাণগত পরিবর্তন থেকে গুণগত পরিবর্তনেয় রূপান্তরিত হওয়ার প্রক্রিয়া। সমাজ বিকাশের ক্ষেত্রেও এমনটা পরিলক্ষিত হয়। যেমন- পুঁজিবাদী সমাজব্যবস্থা ভেতে চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে সমাজতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়। এক্ষেত্রে পূর্ববর্তী সমাজব্যবস্থা থেকে এই সমাজের রূপান্তর ঘটে। পুঁজিবাদী সমাজব্যবস্থায় পুঁজির কেন্দ্রিকতা, পুঁজিবাদের মধ্যকার সংকট ক্রমান্বয়ে পুঞ্জীভূত হওয়া, শ্রেণি সচেতনতায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সংঘটিত সর্বহারা শ্রেণির উদ্ভব এবং শ্রেণিসংগ্রামের রূপ তীব্রতর হওয়া এগুলো হলো পরিমাণগত পরিবর্তনের দিক। একটা নির্দিষ্ট পর্যায়ে যখন পুঁজিবাদী সমাজে শ্রেণিসংগ্রাম তীব্র আকার ধারণ করে, তখনই বিপ্লব অনিবার্য হয়ে পড়ে। আর এই বিপ্লবের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয় সমাজতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা। ফলে সম্পত্তিতে ব্যক্তিমালিকানা বিলুপ্তি হয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় সামাজিক মালিকানা। এ ছাড়া বুর্জোয়া শ্রেণির স্থানে সর্বহারা শ্রেণি অধিষ্ঠিত হয়। এভাবে পরিমাণগত পরিবর্তন গুণগত পরিবর্তনে রূপান্তরিত হয়।

৪. বস্তু ও ঘটনার মধ্যে দ্বন্দ্ব:

প্রতিটি বস্তু ও ঘটনার মধ্যে একই সাথে পরস্পরবিরোধী ধর্ম বিদ্যমান থাকার ফলে অন্তর্ভুক লক্ষ করা যায়। এই অন্তর্দ্বন্দ্বের ফলেই বস্তুর পরিমাণগত পরিবর্তন থেকে গুণগত পরিবর্তন ঘটে। বস্তু জগতের স্ববিরোধের এই সংঘর্ষই হলো বিকাশ। লেনিন বলেন, "Development is the এই বিকাশ অবশ্যম্ভাবী। "Struggle of opposities." মার্কসের মতানুসারে মানবসমাজেও এই বিকাশ অবশ্যম্ভবী।

৫. নেতির নেতীকরণ:

বস্তুজগতের প্রতিটি ক্ষেত্রে, প্রতিটি মুহূর্তে উৎপত্তি ও বিলীন প্রক্রিয়া বিরাজমান। নতুন ও পুরাতনের দ্বন্দ্ব বিরাজমান। নতুন ও পুরাতনের এই দ্বান্দ্বিক প্রক্রিয়ার মধ্যেই নেতির নেতীকরণ বিষয়টি নিহিত। এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নতুনের আবির্ভাব ও পুরাতদের অবসান ঘটে। নতুন পুরাতনের পরাজয়ের মধ্য দিয়েই নতুনের আবির্ভাব ঘটে। এভাবে পুরাতনের নেতীকরণ হয় নতুনের দ্বারা আবার নতুন অবস্থার উৎপত্তি ও পরিপক্বতা অর্জিত হয় পুরাতন অবস্থার মধ্যেই। এভাবেই পুরাতন অবস্থা ধ্বংস হয় এবং অতীতের যাবতীয় বাধাবিপত্তি কাটিয়ে নতুনের উৎপত্তি হয়। বিকাশের এ পর্যায়কে নেতি বলা হয়। নেতি হলো নতুন উন্নতর গুণগত পর্যায়ের উদ্ভব। বিকাশের ধারাবাহিকতায় যখন নতুন পুরাতনকে প্রত্যাখ্যান করে, তখন পুরাতনও তার প্রতি বিরোধিতা থেকেই নতুনের উৎপত্তি। পুরাতন পর্যায়ের ভিতরেই নতুন পর্যায়ের শর্তগুলো উৎপত্তি হয় এবং পরিপক্বতা লাভ করে। এভাবে নেতি প্রগতির পূর্বশর্ত হিসেবে কাজ করে এবং সমাজকে ইতিবাচক দিকে ধাবিত করে।

মার্কসের মতে, সমাজে বিদ্যমান দুটি বিপরীত প্রবণতার ফলে নতুন সমাজের সৃষ্টি হয়। মার্কসের উপরিউক্ত বক্তব্যকে সহজভাবে বলতে গেলে বলতে হয়, পুরাতনের গর্ভে নতুনের জন্ম।

সমালোচনা:

কার্ল মার্কসের দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ সমালোচনার ঊর্ধ্বে নয়। তার এই মতবাদ যেমন প্রশংসা কুড়িয়েছে তেমনি তা আবার বিভিন্নভাবে সমালোচনার সম্মুখীনও হয়েছে। নিম্নে সম্পর্কে আলোচনা করা হলো-এ

১. বৈষয়িক উপাদানের উপর অধিক গুরুত্বারোপ

মার্কসীয় দর্শনে একমাত্র বস্তু ও বৈষয়িক উপাদানের উপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। পক্ষান্তরে, চিন্তাভাবনা ও চেতনাকে গুরুত্বহীন বিষয়ে পরিণত করা হয়েছে।

২. পুরাতন মতবাদ

সমালোচকদের মতে, দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদের ক্ষেত্রে মার্কসের তেমন কোনো অবদান নেই। কারণ তার পূর্বেই অনেক মনীষী ও দার্শনিক দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ সম্পর্কে আলোচনা করেছেন, তথা তাদের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন।

৩. ব্যক্তিস্বাধীনতার উপেক্ষা

মার্কসীয় দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ মানুষের স্বাধীনতার উপর কোনোরূপ মর্যাদা প্রদান করে না। এটি সম্পূর্ণভাবে ব্যক্তিস্বাধীনতাকে উপেক্ষা করে। এটি মানবজাতিকে স্থবির জড়বস্তুতে পরিণত করেছে।

৪. অপ্রয়োগযোগ্য

মার্কসের দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদকে প্রাকৃতিক এবং বস্তুজগতের ব্যাখ্যায় সম্পূর্ণরূপে সঠিকভাবে প্রয়োগ করা যায় না।

৫. সৃজনশীলতায় অনুপস্থিতি

দ্বান্দ্বিকতা সম্পর্কে মার্কসীয় ধারণমূলত হেগেলের ধারণা থেকে সৃষ্ট এবং অনেক ক্ষেত্রে দুজনের তত্ত্বের সঙ্গে বেশ মিল পরিলক্ষিত হয়। তাই দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ সম্পর্কে মার্কসের তত্ত্বে কোনো সৃজনশীলতা পরিলক্ষিত হয় না।

উপসংহার: উপরিউক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, মার্কসের দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদ গতানুগতিক কোনো তত্ত্ব নয়। মার্কসের এই তত্ত্ব একটি বৈজ্ঞানিক বিশ্ববীক্ষা। দ্বন্দ্বমূলক যন্ত্রবাদের অভ্রান্ততা ও সত্যতা মানব সভ্যতার বিকাশের ধারার মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে। আর এই তত্ত্বের মাধ্যমেই ইতিহাসকে সঠিকভাবে অনুধাবন করা সম্ভব হয়েছে। তাই শত সমালোচনা সত্ত্বেও এটি নিঃসন্দেহে বলা যায় যে, দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ যে-কোনো কালের যে-কোনো সমাজকে জানার ও ব্যাখ্যার চাবিকাঠি।

Md Belal Hossain

আমি মোঃ বেলাল হোসাইন, বাংলাদেশ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞানে মাস্টার্স/স্নাতকোত্তর (M.S.S) ডিগ্রী অর্জন করেছি এবং Shikhaprotidin-এর প্রতিষ্ঠাতা। Shikhaprotidin একটি শিক্ষামূলক প্ল্যাটফর্ম যেখানে আমি সমাজবিজ্ঞানের জটিল বিষয়গুলোকে উপস্থাপন করি ও শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষামূলক দিকনির্দেশনা প্রদান করি।

নবীনতর পূর্বতন