Posts

Showing posts from April, 2025

মধ্যমার বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা কর। মধ্যমার সুবিধা অসুবিধা আলোচনা কর

Image
মধ্যমার বৈশিষ্ট্য ও সুবিধা-অসুবিধাসমূহ আলোচনা ভূমিকা:- কোনো নিবেদনের তথ্য সারিতে মানের উর্ধ্বক্রম বা নিম্নক্রমে সাজালে যে সংখ্যাটি কেন্দ্রবিন্দুতে বা ঠিক মাঝখানে অবস্থান করে নিবেশনের তথ্য সারিকে সমান দুটি অংশে ভাগ করে তাকে মধ্যমা বলে মধ্যমা দ্বারা বিভক্ত তথ্যসারির একদিকে থাকে মধ্যমা অপেক্ষা ছোট মানের সংখ্যা এবং অন্যদিকে থাকে বড় মানের সংজ্ঞা। মধ্যমা হলো মধ্যক মানের কেন্দ্রীয় প্রবণতার অবস্থানভিত্তিক পরিমাণ। মধ্যমা হলো এমন একটি সংখ্যামান যা মানের উর্ধ্বক্রম বা নিম্নক্রম অনুসারে সাজালে নিবেশনের তথ্যসারি দুভাগে ভাগ করা যায়। মধ্যমার গুনাবলি বা বৈশিষ্ট্য নিম্নে মধ্যমার কিছু উল্লেখযোগ্য গুনাবলি বা বৈশিষ্ট্য প্রদান করা হলো ১। বুঝতে সহজ: সংজ্ঞা হতে মধ্যমা খুব সহজে বোঝা যায়। ২। নির্ণয় পদ্ধতি: অবস্থান ভিত্তিক পরিমাপ হওয়ায় নির্ণয় পদ্ধতি সহজ। ৩। প্রান্ত খোলা শ্রেণি: মধ্যমা অবস্থান ভিত্তিক পরিমাপ হওয়ায় শ্রেণির প্রান্তসীমা খোলা থাকলেও নির্ণয় করা যায়। ৪। চরম ও প্রান্তিক প্রভাব: মধ্যমা অবস্থান ভিত্তিক পরিমাপ হওয়ায় প্রান্তিক ও চরমমান দ্বারব্য এটি প্রভাবিত হয় না। ৫। অসমশ্রেণি: মধ্যমা নির্ণয়ে শুধু মধ্যমা শ...

ফ্যাসিবাদ কী? ফ্যাসিবাদের বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা কর

Image
ফ্যাসিবাদের সংজ্ঞা ও বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা ভূমিকা:- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর যে কয়েকটি মতবাদের সৃষ্টি হয়েছে তার মধ্যে ফ্যাসিবাদের মতবাদ অন্যতম। ফ্যাসিবাদ মতবাদ একটি আলোড়ন সৃষ্টিকারী মতবাদ। ফ্যাসিবাদ ফ্যাসিবাদের ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো Fascism শব্দটি ল্যাটিন শব্দ Fascia থেকে এসেছে। এই শব্দটির অর্থ হলো এক বোঝা লাটির সাথে একটি কুঠার। সাধারণত ফ্যাসিবাদ একটি প্রসারিত কুঠার ফলক যা ক্ষমতা ও কর্তৃত্বের প্রতীক। Fasic শব্দটি ছিলো ঐক্য,সংহতি এবং কর্তৃত্বের প্রতীক। প্রাচীন রোমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার প্রতীকরূপে এক বোঝা লাঠির সাথে একটি কুঠার বাঁধা থাকত। সাধারণত শক্তিশালী কর্তৃত্ব বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হত। প্রামাণ্য সংজ্ঞাসমূহ বিভিন্ন রাষ্ট্রবিজ্ঞানীগণ ফ্যাসিবাদের সংজ্ঞা প্রদান করেছেন তা নিম্নরূপ- অধ্যাপক সেবাইনের মতে “ফ্যাসিবাদ হলো পরিস্থিতির প্রয়োজনীয়তা অনুসারে বিভিন্ন সূত্র থেকে সংগৃহীত বিভিন্ন ভাবধারার সমন্বয়।” মরিস ক্রাসটন এর মতে “ফ্যাসিবাদে হেগেলের অধিবিদ্যামূলক চিন্তাধারা েএবং সরলের সক্রিয়তাবাদী মতবাদের সমন্বয় ঘটেছে।” এতএব বলা যায় যে ফ্যাসিবাদ হলো এমন একটি মতবাদ যা পরিস্থিতি অনুযায়ী পরিবর্তন এবং প্রয়োজন অন...

বাংলাদেশে দারিদ্র্য বিমোচনে সরকারি কর্মসূচিসমূহ কী কী

Image
বাংলাদেশে দারিদ্র্য বিমোচনে সরকারি কর্মসূচিসমূহ ভূমিকা:- ১৬ কোটি জনসংখ্যার এই বাংলাদেশ বিশ্বের ঘনবসতিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে একটি দেশ। বাংলাদেশে চরম দারিদ্র্যের হার ২০১৬ সালের হিসাব অনুযায়ী দেখা যায় ১২.৯ শতাংশ। সাধারণ অর্থে আমরা দারিদ্র্য বলতে অভাব অনটনকে বুঝি। কোন ব্যক্তি যদি অর্থনৈতিকভাবে অস্বচ্ছল থাকে তখন তাদেরকে আমরা দরিদ্র বলে থাকি। দারিদ্র্য সমস্যা শুধু বাংলাদেশে না এটা গোটা বিশ্বে বর্তমানে একটি বড় সমস্যা। মানুষের মৌলিক চাহিদা যেমন- খাদ্য, বস্ত্র, চিকিৎসা ও আশ্রয় ইত্যাদি মেটানোর জন্য প্রয়োজনীয় সকল অসম্পূর্ণ বা অনুপস্থিতি অবস্থাকেই দারিদ্র অবস্থা নির্দেশ করা হয়। বাংলাদেশে দারিদ্র্য বিমোচনে সরকারি পদক্ষেপ/ কর্মসূচিসমূহ নিম্নে বাংলাদেশে দারিদ্র্য বিমোচনে সরকারি কর্মসূচীর কয়েকটি কারন তুলে ধরা হলো- ১। সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচি দুস্থ, অসহায়, বৃদ্ধ, অক্ষম, বিধবা, এতিম এদের জন্য ভাতা, অবসর ভাতা, ভবিষ্যৎ তহবিল, কল্যাণ তহবিল, শ্রমিক ক্ষতিপূরণ, মাতৃত্ব সুবিধা প্রভৃতি কার্যক্রম সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অন্তর্ভূক্ত। ২। বয়স্কভাতা কর্মসূচি বয়স্কদের জন্য বয়স্ক ভাতার প্রচলন করতে হবে। ২০১...

ধারণা বা প্রত্যয় কী? প্রত্যয়ের প্রকারভেদ ও বৈশিষ্ট্য আলোচনা

Image
ধারণা বা প্রত্যয় কী? প্রত্যয়ের প্রকারভেদ ও বৈশিষ্ট্য আলোচনা ভূমিকা:- বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির একটি মৌলিক উপাদান হলো ধারণা বা প্রত্যয়। সমাজ গবেষকদের কাছে ঘটনার মতো ধারণা বা প্রত্যয় ও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির মূল লক্ষ্য হলো নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে তত্ত্বের অনুসন্ধান এবং সংগৃহীত তথ্যের পরীক্ষা-নিরিক্ষার মাধ্যমে নতুন ফলাফল প্রকাশ করা বা পুরাতন ফলাফল প্রকাশে ধারণা বা প্রত্যয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। বিজ্ঞানের সকল শাখার সাথে প্রত্যয় ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ধারণা বা প্রত্যয়: সাধারণভাবে বলা যায় যে ধারণা বা প্রত্যয় হলো বিভিন্ন ঘটনা বা অভিজ্ঞতার প্রকাশ যা চিন্তার পথ সুগম করে। অন্যকথায় বলা যায় একটি বিশেষ সামাজিক অবস্থা বর্ণনা করার জন্য যখন কোনো শব্দ বা শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করা হয় তখন তাকে ধারণা বা প্রত্যয় হিসেবে গণ্য করা হয়।  প্রামাণ্য সংজ্ঞা M. H. Gopal তার 'An introduction to research procedure in social sciences' (1963:109) গ্রন্থে প্রত্যয় প্রসঙ্গে বলেন "প্রত্যয় বা ধারণা হলো এমন একটি শব্দ বা একটি নির্দিষ্ট ভাব প্রকাশক শব্দ সমষ্টি যা কোন বিষয় বা ঘটনার প্রতীক স্বরূপ...

চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত কী? চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত সুবিধা অসুবিধা লিখ

Image
চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত কী? চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত সুবিধা অসুবিধা লিখ ভূমিকা:- ভারতের ইতিহাসে ব্রিটিশ শাসন একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। ব্রিটিশ শাসনের প্রভাবে বাংলাসহ সমগ্র ভারতপর সমাজকাঠামোর উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন সাধিত হয়। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ১৭৬৫ সালে মোঘল সম্রাটের কাছ থেকে দেওয়ানি লাভ করে বাংলা বিহার ও উড়িষ্যার রাজস্ব আদায়ের অধিকার প্রাপ্ত হয়। দেওয়ানি লাভের পর তাদের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ বৃদ্ধি করা এবং রাজস্ব আদায় ব্যবস্থা পরিবর্তন করা। এ উদ্দেশ্য ১৭৯৩ সালের ২২শে মার্চ ভারতীয় গভর্নর লর্ড কর্নওয়ালিস ঘোষিত আইন দ্বারা চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রথা চালু হয়। জমি সংক্রান্ত কিছু প্রথা আইন দ্বারা চিরস্থায়ী করে দেওয়া হয় বলে এটা চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নামে পরিচিত। এ প্রথা ১৬০ বছর পর্যন্ত টিকে ছিল। চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ১৭৫৭ সালের ঐতিহাসিক পলাশী যুদ্ধের মাধ্যমে ৭০০ বছরের মুসলিম শাসনের ক্ষমতা দখলের অবসান ঘটিয়ে ব্রিটিশ Eest India Company প্রশাসনিক ক্ষমতা দখলের পর বাংলায় নতুন একটি ভূমিনীতি এবং রাজস্ব ব্যবস্থা চালু হয় যা চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নামে পরিচিত। যার প্রধান পদক্ষেপই ছিলো Permanent Settlement ...

বিচ্যুতি কি? বিচ্যুতি আচরণের ফলাফল আলোচনা কর

Image
বিচ্যুতি কি? বিচ্যুতি আচরণের ফলাফল আলোচনা ভূমিকা:- সমাজবদ্ধভাবে জীবন-যাপনের মধ্য দিয়েই মানব গোষ্ঠীকে সমাজস্থ কিছু নিয়ম কানুন এবং আদর্শের মানদন্ডে পরিচালিত হতে হয়েছে। এই নিয়মকানুন ও আদর্শের ব্যাঘাত ঘটলে সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হয় সমাজে নেমে আসে অন্তঃর্নিহিত দ্বন্দ্ব। তাই এ অবস্থা থেকে রক্ষা পেতে প্রয়োজন সমাজের প্রচলিত রীতিনীতি ও আদর্শকে সমুন্নত রাখা। বিচ্যুতির সংজ্ঞা বস্তুত সমাজে প্রচলিত রীতিনীতি, আদর্শ ও মূল্যবোধের পরিপন্থি আচরণই বিচ্যুতি। অন্যভাবে বলা যায় যে বিচ্যুতি হলো সমাজের স্বাভাবিক এবং বঞ্চিত আচরণের বিরোধী বা পরিপন্থি কোন কাজ। বিচ্যুতি আচরণ হলো এমন কোনো কর্মকাণ্ড যা সমাজের প্রচলিত রীতিনীতি, আইন-কানুন, নৈতিকতা, ও মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তবে, সব বিচ্যুতি আচরণ যে অপরাধ তা নয়। অনেক সময় সমাজে প্রচলিত নিয়মে পরিবর্তনের জন্যও কিছু বিচ্যুতি ঘটতে পারে, যা সমাজে নতুন দৃষ্টিভঙ্গির সূচনা ঘটায়। প্রামাণ্য সংজ্ঞা বিচ্যুতি সম্পর্কে বিভিন্ন মনীষী বিভিন্ন সংজ্ঞা প্রদান করেছেন। নিম্নে তাদের কয়েকটি সংজ্ঞা উপস্থাপন করা হলো। ডেভিড পোপেন বলেন ''বিচ্যুতি হলো এমন এক আচরণ যা কোনো গোষ্ঠী ব...

ভূমিকম্পের কারণসমূহ আলোচনা কর

Image
ভূমিকম্পের কারণসমূহ আলোচনা কর ভূমিকা:- পৃথিবীর প্রাকৃতিক দূর্যোগের মধ্যে ভূমিকম্প এক অবিস্মরণীয় নাম। ভূমিকম্প হলো এমন এক ধরনের দূর্যোগ যা পুরো পৃথিবীর অর্ধেক অঞ্চল বা পুরো পুথিবী জুড়ে অনুভূত হতে পারে। ভূমিকম্পের ফলে বহু জিনিস ধ্বংস হয়ে যায়। বেশিরভাগ ভূমিকম্পের কারণ হল ভূগর্ভে ফাটল ও স্তরচ্যুতি হওয়া এছাড়া অন্যান্য কারণেও ভূমিকম্প হতে পারে যেমন: অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিধস, খনিতে বিস্ফোরণ বা ভূগর্ভস্থে নিউক্লিয়ার গবেষণায় ঘটানো আণবিক পরীক্ষা। ভূমিকম্প সৃষ্টির কারণসমূহ ভূমিকম্প সৃষ্টির বহুবিধ কারণ রয়েছে নিচে কয়েকটি কারণ আলোচনা করা হলো। ১। ভূ্অন্দোলন উত্তপ্ত ভূঅভ্যন্তরীণ অংশ প্রতিনিয়ত আন্দোলিত হচ্ছে। যা প্রত্যক্ষভাবে ভূমির উপর পড়ে আর এজন্য ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয়। ২। পাথর বা শিলাচ্যুতি পাহাড়ের উচু স্থান থেকে যদি কোনো শিলা বা পাথর সরে যায় তবে ভূপৃষ্ঠে হালকা ঝাকুনি অনুভব করবে। এর ফলে ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয়। ৩। বিস্ফোরণ বর্তমানে প্রযুক্তিগত আবিষ্কারের ফলে মানুষ নানা ধরনের পারমাণবিক জিনিস আবিষ্কার করেছে যার বিস্ফোরণের ফলে অনেক সময় ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ৪। আগ্নেয়গিরির অগ্যুৎপাত ভূমিকম্প সৃষ্টির প্রধান কারণ ...

ভূমিস্বত্ব প্রথা কি? ভূমিস্বত্ব ব্যবস্থা ও শ্রেণি কাঠামোর মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক আলোচনা কর

Image
ভূমিস্বত্ব প্রথা কি? ভূমিস্বত্ব ব্যবস্থা ও শ্রেণি কাঠামোর মধ্যে সম্পর্ক ভূমিকা:- সামাজিক স্তরবিন্যাসের মধ্যে অন্যতম স্তর হলো ভূমিস্বত্ব প্রথা। ভূমিস্বত্ব কখনো ভূসম্পত্তি আবার কখনো সামাজিক শ্রেণি ইত্যাদিকে বোঝায়। ইউরোপ এবং রাশিয়ার স্তরবিভাগ বলতে বুঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। এ স্তর ব্যবস্থায় প্রতিটি স্তর ভূমিস্বত্ব নামে পরিচিত। ভূমিস্বত্ব প্রথা মধ্যযুগে ইউরোপের সামন্ত্রতান্ত্রিক সমাজে প্রথমে ভূমিস্বত্ব প্রথা বলতে জমিদারি বুঝাতো। ইংরেজি Esitates শব্দের অর্থ একজন জমিদার। পরে রাশিয়াসহ পূর্ব ও পশ্চিম ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সামন্ত ব্যবস্থার অধীনে এস্টেট শব্দটি এক ধরনের সামাজিক স্তর ব্যবস্থা তথা শ্রেণি ব্যবস্থা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উক্ত স্তর ব্যবস্থার প্রতিটি ভিন্ন গোষ্ঠী বা স্তর এস্টেটস বা ভূমিস্বত্ব নামে পরিচিত হইতো। যেমন- যাজক, অভিজাত এবং জনসাধারণ।ভূমিস্বত্ব প্রথা বা Estate system কে তিনভাগে ভাগ করা যায়। যথা- (ক) যাজক শ্রেণী: যারা প্রার্থনা ও ধর্মীয় কাজে নিয়োজিত তাদেরকে যাজক শ্রেণী বলা হতো। (খ) অভিজাত শ্রেণি: যুদ্ধ ও নিরাপত্তা কাজে নিয়োজিত লোকদেরকে অভিজাত শ্রেণী বলা হতো। (গ) সর্বসাধারণ শ্রেণি: যারা ...

পরিবারের বৈশিষ্ট্যসমূহ উল্লেখ কর

Image
পরিবারের বৈশিষ্ট্য বা মানদণ্ডসমূহ লিখ ভূমিকা:- পরিবার হচ্ছে সমাজের সেই আদিম ক্ষুদ্রতম এবং স্থায়ী প্রতিষ্ঠান যেখানে নারী পুরুষ বিবাহের ভিত্তিতে একত্রে বসবাসের স্বীকৃতি পায় ও সন্তান উৎপাদন এবং লালন পালন করে থাকে। পরিবার হলো সমাজের সবচেয়ে প্রাচীন প্রতিষ্ঠান যেখানে মানুষ সুখে-দুঃখে একত্রে বসবাস করে। পরিবার হলো সমাজের মূল ভিত্তি। পরিবারের বৈশিষ্ট্য উল্লেখ কর পরিবারের বৈশিষ্ট্য বা মানদণ্ডসমূহ সামাজিক প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো পরিবার। নিম্নে পরিারের বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করা হলো- ১। স্থায়িত্ব পরিবারের প্রথম ও প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি একটি স্থায়ী প্রতিষ্ঠান। শত শত বছর পূর্বে পরিবারের উদ্ভব হলেও এর বিলীন হওয়ার সম্ভাবনা এখনও নেই। একবিংশ শতাব্দীতে নগর সভ্যতা ব্যাপক উৎকর্ষ লাভ করলেও পরিবারের গুরুত্ব একটুও হ্রাস পায়নি। ২। প্রাচীন প্রতিষ্ঠান পরিবার সর্বপ্রথম কবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল তার সঠিক তথ্য পাওয়া যায় না। তবে সমাজবিজ্ঞানীরা এ বিষয়ে একমত যে পরিবার হলো প্রাচীন প্রতিষ্ঠান। কৃষির সূচনালগ্নে মানুষ একত্রিত হয়ে পরিবার গঠন করে। ৩। বৈবাহিক সম্পর্ক পরিবার গঠনের পূর্ব শর্ত হলো বিবাহ। বিবাহ ছাড়া ...

রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সাথে সমাজবিজ্ঞানের সম্পর্ক আলোচনা কর

Image
রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সাথে সমাজবিজ্ঞানের সম্পর্ক আলোচনা ভূমিকা:- রাষ্ট্রবিজ্ঞানের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হলো রাষ্ট্র। অপরদিকে, সমাজবিজ্ঞান হলো এমন একটি বিজ্ঞান যা সমাজের প্রতিষ্ঠান, সংঘ, সংস্থা, সামাজিক পরিবর্তন, গতিশীলতা, সামাজিক ও মানবিক সম্পর্ক, আচার-আচরণ, মূল্যবোধ ও সামাজিক সমস্যা নিয়ে আলোচনা করে। সামাজিক প্রতিষ্ঠানসমুহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো রাষ্ট্র। রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞানের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বিদ্যমান। রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞানের মধ্যে সম্পর্ক রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞান  সামাজিক বিজ্ঞানের দুটি পৃথক শাখা। মানুষ একাধারে যেমন  সামাজিক জীব তেমনি রাজনৈতিক জীব। নিম্নে রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞান মধ্যে যে সম্পর্ক বিদ্যমান তা আলোচনা করা হলো- ১। পরিপূরক সম্পর্ক রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞানের মধ্যে পরিপূরক সম্পর্ক বিদ্যমান।সমাজবিজ্ঞানের সাহায্য ছাড়া রাষ্ট্রবিজ্ঞান অপরিপূ্র্ণ। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের আলোচ্য বিষয় মানুষ ও রাষ্ট্র। সমাজতত্ত্ব রাষ্ট্রবিজ্ঞান থেকে বিভিন্ন কার্যাবলি সংক্রান্ত জ্ঞান সরবরাহ করে থাকে। ২। উৎপত্তিগত সম্পর্ক রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞানের মধ্যে উৎপত্তির...

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বিশ্বায়নের ইতিবাচক প্রভাব আলোচনা কর

Image
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বিশ্বায়নের ইতিবাচক প্রভাব আলোচনা ভূমিকা:- বর্তমান বিশ্বে বিশ্বায়ন সবচেয়ে আলোচিত বিষয়। আমাদের দেশের অর্থনীতিতে পণ্ডিত থেকে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব পর্যন্ত প্রত্যেকেই দেশের অর্থনীতি ও রাজনীতি পরিচালনায় বিশ্বায়নের কথা উল্লেখ করেন। ৮০ দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে বাংলাদেশ পুরোপুরি নীতি হিসাবে বাজার অর্থনীতি গ্রহণ করেন। ফলে উদারীকরণ কাঠামোগত সংস্কার সরকারের আয় ব্যয় সমন্বয় ইত্যাদি কর্মসূচি বাংলাদেশের অর্থনীতি বাস্তবায়নের চেষ্ট করছে। ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বেশ কিছু ইতিবাচক ও নেতিবাচক প্রভাব পরিলক্ষিত হয়। বিশ্বায়নের ইতিবাচক প্রভাবসমূহ বিশ্বায়নের ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বেশ কিছু ইতিবাচক প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। নিম্নে তা আলোচনা করা হলো- ১। অর্থ বাজারে উন্নয়ন বিশ্বায়নের প্রভাবের ফলে দেশের অর্থ বাজারে প্রাণ সঞ্চয় হয়েছে। এ দেশে অনেক বেসরকারি ও বিদেশী ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এসকল ব্যাংক গুলির শাখারও ব্যাপক প্রসার ঘটেছে। বিশ্বায়নের পেক্ষাপটে সরকারের উদার অর্থনৈতিক কর্মসূচি দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতিশীলতা আনয়ন করেছে। ২। রপ্তানি বৃদ্ধি বিশ্বায়ন তথা বাজার অর্থনীতির ফলে বাংলা...

নব্য উপনিবেশবাদ কী? উপনিবেশবাদ বলতে কি বুঝ

Image
নব্য উপনিবেশবাদ কী? উপনিবেশবাদ বলতে কি বুঝ ভূমিকা: নব্য উপনিবেশবাদ এবং উপনিবেশবাদ মূলত একই অর্থে ব্যবহৃত হয়।উপনিবেশবাদের নতুন রুপকে নব্য উপনিবেশবাদ বলে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে ঔপনিবেশিক শাসনে ধস নামে। নব্য উপনিবেশবাদে পূর্ববর্তী উপনিবেমবাদের সকল শোষণ প্রক্রিয়া ভিন্ন কৌশলে উপস্থাপন করা হয় মাত্র। নিজেদের প্রভাব প্রতিপত্তি ধরে রাখার জন্য ঔপনিবেশিক শক্তিসমূহ ধরে রাখার জন্য উপনিবেশবাদ গড়ে তোলে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে বিশ্বের রাজনৈতিক মানচিত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন আসে এবং ঔপনিবেশিক শাসনে ধস নামে। অনেক উপনিবেশ স্বাধীনতা অর্জন করে, তবে সেই স্বাধীনতা ছিল আংশিক। আগের মতো সরাসরি শাসন না থাকলেও অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং কূটনৈতিক কৌশলের মাধ্যমে এই দেশগুলোর ওপর প্রভাব বজায় রাখে উপনিবেশিক শক্তিগুলো। ফলে, উপনিবেশবাদ পুরোপুরি বিলুপ্ত না হয়ে, এক নতুন রূপে নব্য উপনিবেশবাদের মাধ্যমে পুনরায় আবির্ভূত হয় নব্য উপনিবেশবাদ নব্য উপনিবেশবাদ বাণিজ্য ও সাহায্য অর্থনীতির মাধ্যমে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জাতিকে নিয়ন্ত্রণ করার অন্যতম এক মাধ্যম। আরও বলা যায় নব্য উপনিবেশবাদ হলো পুঁজিবাদ, বিশ্বায়ন ও সাং...

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কী? দুর্যোগের প্রকারভেদ আলোচনা কর

Image
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কী? দুর্যোগের প্রকারভেদ আলোচনা ভূমিকা:- দুর্যোগ স্বাভাবিক অর্থে প্রাকৃতিক। তবে দূর্যোগের কাল, ঘটনা, সংখ্যা, ঘটন প্রকৃতি এবং ক্ষতির পরিমাণ ব্যাপ্তি বিশ্লেষণে তা একই সাথে মানবসৃষ্ট বলে প্রতীয়মান হয়। এ করণেই দূর্যোগের পরিবেশগত ও সামাজিক উভয় প্রেক্ষাপট আছে। দূর্যোগটাই গ্রামের সবকিচু হারাচ্ছে। আধুনিক বিশ্বে দূর্যোগ সংগঠন একটি সাধারণ ঘটনা হয়ে দাড়িয়েছে।দূর্যোগের কারণে প্রাণ হারাচ্ছে অনেক মানুষ। তাই দূর্যোগের হাত থেকে রক্ষা করতে চাইলে আমাদের কার্যকরী কৌশল অবলম্বন করতে হবে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা বলতে বুঝায় দূর্যোগ ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষার জন্য গৃহীত পদক্ষেপ বা কৌশল।সাম্প্রতিক সময়ে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা বলতে প্রাক-দূর্যোগ ও দূর্যোগ পরবর্তী সময়ে ব্যাপক কর্মকান্ড ও নীতিমালার বাস্ত-বায়নকে নির্দেশ করে। এই কর্মকান্ডের মধ্যে অতীত অভিজ্ঞতার আলোকে মানুষের দূর্যোগজনিত কষ্ট হ্রাস ও দূর্যোগ প্রতিষেধক, দূর্যোগ উপশম নিবৃত্তি এবং এই পূর্ব প্রস্তুতিকে প্রাক দূর্যোগ মোকাবেলা কৌশল হিসেবে গণ্য করা হয়।  প্রামাণ্য সংজ্ঞা নিম্নে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে কয়েকটি প্রামাণ্য সংজ্ঞ...

নিরক্ষরতা কি? What is illiteracy? নিরক্ষরতা দূরীকরণের উপায় লিখ

Image
নিরক্ষরতা কি? নিরক্ষরতা দূরীকরণের উপায়সমূহ আলোচনা ভূমিকা:- কোন দেশের আর্থ-সমাজিক পরিবর্তন ও অগ্রগতির মৌল প্রয়োজন হলো শিক্ষা। মানব সম্পদ উন্নয়নের সর্বোত্তম মৌলিক উপাদান শিক্ষা। শিক্ষা মানুষের মৌলিক অধিকার। ব্যক্তিগত ও জাতীয় উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি হলো শিক্ষা।আর এ শিক্ষার অভাব হলো নিরক্ষরতা। নিরক্ষরতা বাংলাদেশের অন্যতম সমাজিক সমস্যা কেননা এর কুফল আর্থ সামাজিক জীবনে মারাত্মক ক্ষতিকর। বাংলাদেশে শিক্ষা ব্যবস্থা এখনো পর্যাপ্ত নয় ফলে মৌলক চাহিদা পূরণে শিক্ষা কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারছে না। নিরক্ষরতার সংজ্ঞা সাধারণ অর্থে অক্ষরজ্ঞান বা অক্ষর পরিচিতির অভাবই নিরক্ষরতা। তাত্ত্বিকভাবে বলতে গেলে নিরক্ষর হলো অক্ষর জ্ঞানহীনতা। কারণ, শিক্ষার চাবিকাঠি হলো অক্ষরজ্ঞান আর এ অক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন ব্যাক্তিকে বলা হয় স্বাক্ষর বা শিক্ষিত। সুতরাং নিরক্ষর হলো স্বাক্ষরতার বিপরীত অবস্থা। UNESCO এর মতে, ''দৈনন্দিন জীবনের ছোট ও সাধারণ বক্তব্যগুলো উপলব্ধি করে পড়তে ও লিখতে সক্ষম ব্যক্তিই স্বাক্ষর।'' ১৯৬১ সারের লোকশুমারিতে বলা হয়- ''উপলদ্ধি সহকারে যে কোন ভাষা পড়তে সক্ষম ব্যক্তিই স্বাক্ষর বা শিক্ষিত...

রাষ্ট্রের উৎপত্তি সংক্রান্ত মার্গানের তত্ত্বটি আলোচনা কর

Image
রাষ্ট্রের উৎপত্তি সংক্রান্ত নৃবিজ্ঞানী মার্গানের মতবাদ আলোচনা ভূমিকা:- রাষ্ট্র হলো একটি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান, যেখানে রাজনৈতিকতার চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ হলো রাষ্ট্র। রাষ্ট্রে মধ্যে মানুষ নির্বিঘ্নে বসবাস করতে পারে। রাষ্ট্রে উপাদান হলো মানুষ। রাষ্ট্র উৎপত্তি একদিনে হয় নি। রাষ্ট্রের উৎপত্তি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিজ্ঞানী বিভিন্ন মতবাদ ব্যক্ত করেছেন। রাষ্ট্রে উৎপত্তি সংক্রান্ত মর্গানের মতবাদ নৃবিজ্ঞানী মর্গানের রাষ্ট্র উৎপত্তি সংক্রান্ত তথ্যর মূল কথা হলো যে, আদিম সমাজে মানুষ প্রথম অবস্থায় সহজ সরল ও স্বাভাবিক ছিলো। কিন্তু ক্রমান্বয়ে কৃষিকাজ শুরু করে। তারপর যাযাবর জীবন ছেড়ে স্থায়ী বসবাস শুরু করে। বন্য প্রাণী শিকার বাদ দিয়ে তারা গৃহপালিত পশু পালন শুরু করে। এরপর নগরকেন্দ্রিক জীবনযাপন করে তথন কেউ উৎপাদক শ্রেণি, কেউ বণিক শ্রেণি, কেউ সৈনিক শ্রেণি সৃষ্টি হয়। এ শ্রেণী বৈষম্য সৃষ্টি হওয়ার পর বিভিন্ন কারণে তাদের মধ্যে সংঘাতের সৃষ্টি হয় যার ফলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। তখন এ অবস্থার পরিবর্তন করার জন্য মানুষ বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা সমানভাবে ভাগ করার জন্য রাষ্ট্রের সৃষ্টি করে। রাষ্ট্রের উৎপত্তি সংক্রান্ত মতবাদ অন...

কল্যাণ রাষ্ট্র বা জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র কী? কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্যসমূহ লিখ

Image
কল্যাণ রাষ্ট্র বা জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্রের সংজ্ঞা ও বৈশিষ্ট্যসমূহ ভূমিকা:- কল্যাণ রাষ্ট্র সমাজবিজ্ঞানের একটি মৌলিক ধারণা। সুস্থ রাজনীতি প্রতিষ্ঠা ও জনকল্যাণের জন্য কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের পরিধি দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। কল্যাণরাষ্ট্র জনকল্যাণমূলক কাজ করে থাকে। কল্যাণরাষ্ট্র ব্যক্তি স্বাধীনতা রক্ষা করে এবং ব্যক্তির অধিকার সংরক্ষণ করে। আধুনিক যুগে কল্যাণ রাষ্ট্রের গুরুত্ব অপরিসীম। কল্যাণ রাষ্ট্র বা কল্যাণমূলক রাষ্ট্র কল্যাণ রাষ্ট্র (Welfare State) হল এমন একটি রাষ্ট্র ব্যবস্থা, যেখানে সরকার তার নাগরিকদের মৌলিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক সুবিধা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই ধরনের রাষ্ট্রে সরকার জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ প্রদান করে। এক কথায় জনকল্যাণে নিয়োজিত রাষ্ট্রই হলো কল্যাণমূলক রাষ্ট্র। জনসাধারণের কল্যাণের জন্য যে রাষ্ট্র কাজ করে তাকেই কল্যাণরাষ্ট্র বলে। জনকল্যাণ রাষ্ট্র এমন একটি রাষ্ট্র যা ব্যক্তি স্বাধীনতা অক্ষুন্ন রেখে জনসেবামূলক কাজ করে। প্রামাণ্য সংজ্ঞা বিভিন্ন সমাজবিজ্ঞানী ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা কল্যাণরাষ্ট্রকে ...

আইনের বৈশিষ্ট্য উল্লেখ কর। আইনের মানদন্ডসমূহ লিখ

Image
আইনের বৈশিষ্ট্য বা মানদন্ড লিখ ভূমিকা:- মানব জীবনে আইনের গুরুত্ব অনেক। আইন হলো রাষ্ট্রবিজ্ঞানের একটি মৌলিক ধারণা।আইন হলো সর্বভৌম কর্তৃত্বের আদর্শ। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের মৌলিক প্রত্যয়ের মধ্যে আইন একটি। প্রত্যক নাগরিক এই আইন শব্দটির সাথে কমবেশি পরিচিত। ব্যক্তি জীবন থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় জীবন প্রতিটি ক্ষেত্রে আইনের প্রয়োগ বিদ্যমান। মানব জীবনের প্রত্যক ক্ষেত্রে আইনের ভূমিকা অপরিসীম। আইনের বৈশিষ্ট্য বা মানদণ্ড আইন মানব সমাজের দর্পণস্বরূপ। বিশেষ করে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের জীবনে আইনের প্রভাব অপরিসীম। নিম্নে আইনের বৈশিষ্ট্য বা মানদন্ডসমূহ উল্লেখ করা হলো- ১। বিধিবদ্ধ নিয়ামাবলি আইনের প্রথম দিক এটি বিধিবিধানের সমষ্টি। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, আইন হলো কতিপয় বিধিবদ্ধ আচার-আচরণ। কোনো বিধানকে আইন হতে হলে তাকে অবশ্যই প্রথা, রীতিনীতি নিয়মকানুনের সমষ্টি হতে হবে। ২। সুস্পষ্টতা সুস্পষ্টতা আইনের একটি উল্লেখযোগ্য দিক। আইনের বিধিবিধান সুস্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ থাকতে হবে। সুস্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ না থাকলে আইনের ধারা উপধারা সাধারণের কাছে সহজবোধ্য নয়। তাই আইনের ধারা ও বিধিবিধান সুস্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ থাকে। ৩। সর্বজনীনতা আইন হলো ...

পরিবারের প্রকারভেদ উল্লেখ কর। পরিবারের শ্রেণিবিভাগ লেখ

Image
পরিবারের প্রকারভেদ উল্লেখ কর ভূমিকা:- পরিবার হলো সমাজের ক্ষুদ্রতম ও স্থায়ী প্রতিষ্ঠান। সমাজের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যয় পরিবার। পরিবার হলো এমন এক সামাজিক সংগঠন যা সমাজস্বীকৃত পন্থায় নারী পুরুষ একত্রে বসবাস করে। পরিবার গঠনের পূর্বশর্ত হল বিবাহ। বিবাহ ছাড়া আধুনিক ও সভ্য সমাজে পরিবার গঠন সম্ভব নয়। পরিবারের সদস্যদের বিপদে আপদে পরিবার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। পরিবার সভ্যতা বিকাশে ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পরিবারের প্রকারভেদ পরিবারের ধরন নির্ধারণের ক্ষেত্রে একক কোনো ভিত্তিক প্রাধান্য দেয়া হয় না। পরিবারকে গঠনপ্রণালী, আকার, সদস্যসংখ্যা, ক্ষমতার কাঠামো এবং দাম্পত্য সম্পর্কের ভিত্তিতে বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত করা যায়।নিম্নে পরিবারের প্রকারভেদ উল্লেখ করা হলো- ১। একক পরিবার বর্তমান সময়ে সমগ্র বিশ্বে সর্বাধিক জনপ্রিয় পরিবার ব্যবস্থা হচ্ছে একক পরিবার।একজন মাত্র স্বামী এবং তার একজন মাত্র স্ত্রী নিয়ে এ পরিবার গঠিত হয়। একক পরিবারে সন্তান থাকতেও পারে আবার নাও থাকতে পারে।এটি স্বনির্ভরতা, স্বাধীনতা এবং গোপনীয়তা রক্ষায় সহায়ক হলেও আত্মীয়তার সম্পর্ক দুর্বল হয়ে থাকে। ২। যৌথ পরিবার যৌথ পরিবার সামাজিক বন্ধন ...